images

স্পোর্টস / ক্রিকেট

অলরাউন্ডার হওয়ার কৃতিত্ব পিএসএল আর কোচদের দিলেন পাকিস্তানি ওপেনার

স্পোর্টস ডেস্ক

০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম

পাকিস্তানের উদীয়মান তারকা সাইম আইয়ুব নিজের অলরাউন্ডার হয়ে ওঠার পেছনে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশোয়ার জালমি ও কোচদের বড় অবদানের কথা জানিয়েছেন।

পিএসএল ২০২৩-এ জালমির হয়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জাতীয় দলে জায়গা করে নেন সাইম। ওই আসরে ১২ ইনিংসে ৩৪১ রান করেছিলেন তিনি, গড় ছিল ২৮.৪১ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৫.৫৩। তখন তিনি মূলত একজন টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

তবে পরের মৌসুমেই নিজের খেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেন ২৩ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। পিএসএল-এর পরের আসরে জালমির হয়ে নিয়মিত বোলিং করে ৯ ইনিংসে নেন ৮ উইকেট, গড় মাত্র ২২.৩৭। এই পারফরম্যান্সই জাতীয় দলে অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ এনে দেয় সাইমের জন্য।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে পাকিস্তানের হয়ে ৩৪টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে তার বোলিং নজর কাড়ার মতো- ২৮ ইনিংসে ২১ উইকেট, গড় ২৪.৩৩ এবং ইকোনমি মাত্র ৬.৯০। এর ফলেই গত অক্টোবরে ভারতের হার্দিক পান্ডিয়াকে টপকে টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠেন সাইম।

চলমান বিপিএল ২০২৫–২৬ আসরে সিলেট টাইগার্সের হয়ে খেলতে থাকা সাইম এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ক্লাব ক্রিকেটে মাঝে মাঝে বোলিং করলেও পিএসএলেই তার বোলিংয়ের প্রকৃত বিকাশ ঘটে।

সাইম বলেন, “ক্লাব ক্রিকেটে আমি একটু-আধটু বোলিং করতাম। কিন্তু পিএসএলে পেশোয়ার জালমি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। এরপর জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে কোচরা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছেন, টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে অনেক কাজ করিয়েছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সত্যি বলতে এত ভালো বোলিং পরিসংখ্যান হবে, সেটা আমি নিজেও ভাবিনি। এর পুরো কৃতিত্ব কোচদের। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, দলের কাজে লাগতে পারলে কেন নয়।”

পাকিস্তান দলের বর্তমান বোলিং কোচ অ্যাশলি নফকের ভূমিকাও আলাদা করে তুলে ধরেছেন সাইম। “আমাদের বর্তমান বোলিং কোচ অস্ট্রেলিয়ান। তিনি সত্যিই দারুণ একজন কোচ। তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি,” বলেছেন সাইম আইয়ুব।