images

বিজ্ঞান

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ মার্চে

বিজ্ঞান ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ এএম

সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় দেখা যায়নি। এই মহাজাগতিক ঘটনা থেকে এসব দেশের মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। এবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ এলো। কম সময়ের জন্য হলেও ওই চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বাংলাদেশের মানুষ। 

চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়?

চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। তার ওপর সূর্যের আলো পড়ে। তার পরেই তাকে দেখা যায়। পৃথিবী চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। বদলে পৃথিবীর ছায়া পড়ে চাঁদের উপরে। তখনই হয় চন্দ্রগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রং হয় লাল। সে কারণে তাকে ‘রক্ত চাঁদ’ (ব্লাড মুন)-ও বলা হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: ২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ কবে?

সূর্যগ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে সে রকম কোনও সমস্যা নেই। রাতে আকাশে খালি চোখেই উপভোগ করা যায়। চন্দ্রগ্রহণ চলে দীর্ঘ ক্ষণ ধরে।

2-2509070251

কখন এবং কোথায় দেখা যাবে?

৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে, সেখান থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশ থেকে ও ভারত থেকেও দেখা যাবে। তবে কম সময়ের জন্য।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। সবচেয়ে নাটকীয় পর্যায় চলবে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড ধরে। সেই সময় আকাশে খালি চোখে তাকালেই দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। তবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে তা দেখা যাবে না। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলোতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ভোর ৪টা ৪ মিনিট থেকে ৫টা ২ মিনিট পর্যন্ত (আমেরিকার সময়)।

ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টা ৫৮ মিনিট থেকে (ভারতীয় সময়)। দেশে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

1757007879_l2

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু: বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিট। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: রাত ৮টা ২৩ মিনিট।

কেন পূর্ণগ্রাসের সময় চাঁদের রং লাল হয়?

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো কিন্তু হয় না। বদলে লাল হয়ে ওঠে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে (তার মধ্যে দিয়ে যখন সেই রশ্মি প্রতিসরিত হয়), তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয় এবং তা চাঁদের উপরে গিয়ে পড়ে। অন্য দিকে, সূর্যরশ্মির নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের সময়ে গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়। কিন্তু কখনও কালো দেখায় না।

এজেড