Dhaka Mail Logo

ইসলাম

ইরানে ৪৩তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা আগামী জানুয়ারিতে

ধর্ম ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পিএম

ইরানের মাশহাদ শহরে আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৪৩তম আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের অর্গানাইজেশন অব এন্ডোমেন্টস অ্যান্ড চ্যারিটি অ্যাফেয়ার্সের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী পবিত্র কোরআনের প্রচার ও প্রসার, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতে দক্ষ প্রতিযোগীদের সম্মানিত করার লক্ষ্য নিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও নারী দুই বিভাগে পৃথকভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। পুরুষদের জন্য পূর্ণ হিফজ, তাহকিক তেলাওয়াত ও তারতিল তেলাওয়াত বিভাগ রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য থাকছে পূর্ণ হিফজ ও তারতিল তেলাওয়াত বিভাগ। ইসলামি বিধান অনুসরণ করে নারী ও পুরুষদের প্রতিযোগিতা পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকদের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী, প্রতিযোগীকে নিজ দেশের সরকার বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত জাতীয় কোরআন প্রতিযোগিতায় সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী হতে হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর কারিগরি দক্ষতাও থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: মক্কার আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ১৩৩ দেশের প্রতিযোগী

অংশগ্রহণকারীকে মনোনীত দেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশে অন্তত এক বছর স্থায়ীভাবে বসবাসের রেকর্ড থাকতে হবে। এছাড়া এর আগে ইরানের আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারীরা এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না।

প্রতিযোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে পূর্ণ হিফজ বিভাগের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। একজন প্রতিযোগী একাধিক বিভাগে অংশ নিতে পারবেন না।

প্রতিযোগিতার সব পর্যায়ে, সরাসরি কিংবা ভার্চুয়ালি, কোরআনের মর্যাদা ও ইসলামি শালীনতা বিবেচনায় মার্জিত ও প্রাতিষ্ঠানিক পোশাক পরিধান করতে হবে। নারী প্রতিযোগীদের সঙ্গে ইসলামি বিধান অনুযায়ী একজন মাহরাম পুরুষ থাকার শর্ত রয়েছে। অন্যদিকে পুরুষ প্রতিযোগীদের কোনো সঙ্গী সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ বশির

প্রতিযোগিতার প্রাথমিক যাচাই ও বাছাইপর্ব ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে। ভিডিও পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রতিযোগীরাই মাশহাদে মূল পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের ভিসা, যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, আবাসন এবং ইরানে অবস্থানকালীন আতিথেয়তার ব্যয়ভার আয়োজক কমিটি বহন করবে।

আয়োজকদের আশা, এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআন হিফজ ও তেলাওয়াতের উৎকর্ষ তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোরআনপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।