ধর্ম ডেস্ক
১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
দীর্ঘ সাত বছর পথচলার পর ৩১৩তম পর্বে শেষ হচ্ছে শায়খ আহমাদুল্লাহর সাপ্তাহিক ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ অনুষ্ঠান। আগামী ২১ আগস্ট শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য ৩১৩তম পর্বের মধ্য দিয়ে নিয়মিত এই প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে। শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ‘সাপ্তাহিক শরয়ী সমাধান’ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ এই সময়ে প্রতি সপ্তাহে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।
অনুষ্ঠানটি বন্ধ করার প্রধান কারণ হিসেবে নিজের ব্যস্ততা এবং মাসয়ালা জানার বিকল্প মাধ্যম তৈরি হওয়ার কথা জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ ছাড়া দীর্ঘ সাত বছর ধরে একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান চালু রাখা সম্ভব ছিল না। দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণও এই দীর্ঘ পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আরও পড়ুন: মাদরাসায় নিপীড়নরোধে ‘তদন্ত কমিশন’ ও সংস্কার প্রস্তাব শায়খ আহমাদুল্লাহর
মাসয়ালা জানার পথ সহজ করতে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে একটি কল সেন্টার চালু করেছে। সেখানে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিজ্ঞ মুফতিগণ ফোনকলের মাধ্যমে মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। সরাসরি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে গিয়েও মাসয়ালা জানার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
তবে ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ বন্ধ হলেও শুক্রবার রাতে নতুন দাওয়ামূলক কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ২৮ আগস্ট থেকে প্রতি শুক্রবার রাতে নবীজি (স.)-এর একটি করে অবহেলিত সুন্নাহ নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ‘নৃশংসতা কমিয়ে আনতে একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন’
এরপর ‘দারসুল কুরআন’ নামে কুরআনের তাফসিরবিষয়ক একটি ধারাবাহিক অনুষ্ঠান চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
৩১৩তম পর্বে এসে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করতে গিয়ে আনন্দ-বেদনার মিশ্র অনুভূতির কথা জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। একই সঙ্গে দীর্ঘ এই পথচলার নানা স্মৃতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
দীর্ঘ সাত বছর ধরে দর্শকরা যেভাবে ‘শরয়ী সমাধান’ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত রেখেছেন, ভবিষ্যতের অনুষ্ঠানগুলোতেও তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মাসয়ালা জানাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কল সেন্টারে যোগাযোগ করা যাবে ০৯৬১০-০০১০৮৯ নম্বরে।
সূত্র: শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট