আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে অবস্থিত পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদে (মসজিদুল হারাম) শুক্রবার (৭ আগস্ট) একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করলেন তিন প্রভাবশালী মুসলিম দেশের নেতা।
নামাজে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ শরিক হন।
মক্কায় একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর তারা ওই জুমার জামাতে অংশ নেন।
এর আগে শুক্রবার এ চুক্তি নিয়ে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
এ চুক্তি পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান, তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব ও ন্যাটোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ তুরস্ককে এক কাতারে নিয়ে এসেছে।
এখন এই তিন দেশের কারও ওপর যদি অন্য কোনো দেশ হামলা করে তাহলে তারা এটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
চুক্তিটি অনেকটা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর মতো। ন্যাটোর আর্টিকেল-৫-এ বলা আছে যদি সদস্যভুক্ত কোনো দেশ হামলার শিকার হয় তাহলে তারা সবাই এটিকে নিজেদের ওপর হামলা হিসেবে নেবে এবং সবাই আক্রান্ত দেশের সহায়য়তায় এগিয়ে যাবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই চুক্তিটির মূল লক্ষ্য হলো যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
এতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি সবকটি দেশের ওপর হামলা হিসেবেই গণ্য করা হবে।
এছাড়া, এই চুক্তি তিন দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রতিটি ক্ষেত্রকে আরও জোরদার করার দিকনির্দেশনা দেয়।
-এমএমএস