images

ইসলাম

‘নৃশংসতা কমিয়ে আনতে একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন’

ঢাকা মেইল ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম

রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলছাত্রী শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনায় ধর্ষক ও খুনির প্রতি সবাই জানাচ্ছেন ধিক্কার ও ঘৃণা। এ ঘটনায় এবার ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিশিষ্ট দাঈ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। অভিযুক্তকে নরপিশাচ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি এ ধরনের নৃশংস ঘটনা কমিয়ে আনতে শরিয়াহ আইনকে সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে সংক্ষিপ্ত এক পোস্টে বলেন, ‘৭ বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ।’

পোস্টে তিনি আরও মন্তব্য করেন, শিশু ও নারীদের ওপর সহিংসতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনার জন্য কঠোর আইনগত ব্যবস্থা প্রয়োজন। তার মতে, এ ধরনের নৃশংসতার মাত্রা কমাতে শরিয়াহ আইন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন

‘প্রিয় সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত’

খাটের নিচে দেহ, বাথরুমে মাথা: শিশু রামিসা হত্যার নেপথ্যে কী

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিন তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেফতার করা হয়। জাকির রিকশা মেকানিক হিসেবে কাজ করত এবং তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। বিকৃত যৌনাচার থেকে জাকির এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। তার এই অপরাধে স্ত্রীর সহায়তা ছিল বলেও প্রমাণিত হয়েছে।

জেবি