ধর্ম ডেস্ক
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র হজযাত্রা আরও সহজ ও দ্রুত করতে টানা অষ্টম বছরের মতো ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’ বা ‘রুট টু মক্কা’ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে সৌদি আরব। এ বছর বিশ্বের ১০টি দেশের ১৭টি বিমানবন্দরে এই বিশেষ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, তুরস্ক, আইভরি কোস্ট এবং মালদ্বীপের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো সেনেগাল ও ব্রুনাই দারুসসালামকেও এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর একটি অংশ। এর আওতায় হজযাত্রীরা দুটি বিশেষ সুবিধা পান-
১. ইমিগ্রেশন সুবিধা: হজযাত্রীরা নিজ দেশের বিমানবন্দর থেকেই সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন। ফলে সৌদি আরবে পৌঁছে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সরাসরি হোটেলে যেতে পারেন।
২. স্মার্ট লাগেজ ম্যানেজমেন্ট: হজযাত্রীদের লাগেজ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তাদের নির্ধারিত হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৭৬৩৪ হজযাত্রী
২০১৭ সালে ইন্দোনেশিয়ায় পরীক্ষামূলক শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি হজযাত্রী এই সেবা গ্রহণ করেছেন। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, হজ ও ওমরাসহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্মিলিতভাবে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশে এই সেবা চালু হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারিভাবে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন।
গত ১৮ এপ্রিল রাত থেকে শুরু হওয়া হজ ফ্লাইট ২১ মে পর্যন্ত চলবে। এ বছর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সাউদিয়া এবং ফ্লাইনাস মোট ২০৭টি ফ্লাইটে হজযাত্রী বহন করবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে থেকে, চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।