ধর্ম ডেস্ক
১৮ জুন ২০২৪, ০৪:০৩ পিএম
কোরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। রাসুলুল্লাহ (স.) নিয়মিত কোরবানি করতেন। ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুল (স.) মদিনায় ১০ বছর অবস্থান করছিলেন, প্রতিবছর তিনি কোরবানি করেছেন।’ (ইবনে মাজাহ: ৩১২৭)
কোরবানির অনেক ফজিলত। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, (কোরবানির পশুর) প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি দেওয়া হবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩২৪৭)
কোরবানি জাহান্নামের প্রতিবন্ধক। আবদুল্লাহ ইবনে হাসান (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি খুশি মনে সওয়াবের আশায় কোরবানি করবে, ওই কোরবানির জবেহকৃত পশু কোরবানিদাতার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হবে।’ (আল মুজামুল কাবির: ২৬৭০)
আরও পড়ুন: ভুঁড়ি খাওয়া কি জায়েজ?
পশুর যেসব অংশ খাওয়া যায় না
ইসলামে বৈধ পশুর কিছু অংশ ফেলে দিতে বলা হয়েছে। মূলত ওই সব অংশ খাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ। সেগুলো হলো- ১. প্রবাহিত রক্ত, ২. অণ্ডকোষ, ৩. চামড়া ও গোশতের মধ্যে সৃষ্ট জমাট মাংসগ্রন্থি, ৪. মূত্রথলি, ৫. পিত্ত, ৬ ও ৭. নর ও মাদির যৌনাঙ্গ।
হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (স.) বকরির সাতটি জিনিস অপছন্দ করেছেন: পিত্ত, মূত্রথলি, মাংসগ্রন্থি, নর ও মাদির যৌনাঙ্গ, অণ্ডকোষ, (প্রবাহিত) রক্ত।’ (কিতাবুল আসার: ৮০৮)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী হালাল পশুর অবৈধ অংশগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।