ধর্ম ডেস্ক
২৯ মে ২০২৪, ০৭:৪০ পিএম
কোরবানি ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহ তাআলা কোরবানির নির্দেশ দিয়ে বলেন— ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি আদায় করুন।’ (সুরা কাউসার: ২)
কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট, অধিক গোশতসম্পন্ন, নিখুঁত ও দেখতে সুন্দর হওয়া উত্তম। এছাড়া কোরবানির পশু হতে হবে বড় ধরণের দোষ-ত্রুটি থেকে মুক্ত। হাদিসে এসেছে, ‘চার ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি হবে না। অন্ধ, যার অন্ধত্ব স্পষ্ট; রোগাক্রান্ত, যার রোগ স্পষ্ট; পঙ্গু, যার পঙ্গুত্ব স্পষ্ট ও আহত, যার কোনো অঙ্গ ভেঙে গেছে।’ ( ইবনে মাজাহ: ৩১৪৪)
আরও পড়ুন: দুটি পশু কোরবানি করলে গতবছরের কাজা আদায় হবে?
আলী (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) আমাদের আদেশ করেছেন, আমরা যেন কোরবানির পশুর চোখ ও কান উত্তমরূপে দেখে নিই। আর আমরা যেন কানের অগ্রভাগ কাটা, কানের পেছন দিক কাটা, লেজ কাটা এবং কানের গোড়া থেকে কাটা পশু কোরবানি না করি। (নাসায়ি: ৪৩৭৩)
আরও পড়ুন: যৌথ পরিবারে কোরবানি, সচরাচর ভুল ও সঠিক নিয়ম
কিন্তু কোরবানির নিয়তে ভালো পশু কেনার পর যদি তাতে এমন কোনো দোষ দেখা দেয় যে কারণে কোরবানি নাজায়েজ, তাহলে ওই পশুর কোরবানি সহিহ হবে না। এর স্থলে আরেকটি পশু কোরবানি করতে হবে। তবে ক্রেতা গরীব হলে ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারাই কোরবানি করতে পারবে। (খুলাসাতুল ফতোয়া: ৪/৩১৯, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২১৬, ফতোয়া নাওয়াজেল: ২৩৯, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩২৫)