Dhaka Mail Logo

প্রবাস / অর্থনীতি

‎অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় পাশে থাকছে আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী

১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি ও নীতিগত প্রস্তাবনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

‎মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা জানান।
‎
‎অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের নীতি ও সংস্কার কাঠামোর সঙ্গে সরকারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রার সমন্বয় রেখে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের দিকে এগোচ্ছে দুই পক্ষ। চলমান এই আলোচনা ও প্রক্রিয়া একটি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। গতকাল ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে; তারা বাংলাদেশকে সাপোর্ট করার জন্য খুব পজিটিভ।
‎
‎তিনি বলেন, ‘এ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যেভাবে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি এবং বিগত দিনের যে বোঝা আমাদের বহন করতে হচ্ছে- তাছাড়া বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে যে বিপর্যয় ঘটছে, তারা সবকিছু অনুধাবন করছে। আমরা এখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যে পলিসিগুলো নিয়েছি, তা নিয়ে তারা আমাদের সঙ্গে একমত আছে। আগামী দিনে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার জন্য আমরা যে প্রোগ্রামটা দিয়েছি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আমাদের সঙ্গে সে বিষয়টি নিয়ে একমত। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের যে লক্ষ্য, সেটি নিয়ে তারা প্রস্তুত আছে।’

আরও পড়ুন:

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, সেটি চলমান রয়েছে। এটি একটি প্রক্রিয়া। আগামী কয়েক মাস এ আলোচনা চলবে। সুতরাং এখান থেকে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা ফাইলের সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে- এমনটা প্রত্যাশা করা ভুল হবে। এটা কোনো সময়ই হয় না, এটা মূলত আলোচনা। এই আলোচনার একটা ভিত্তি ধরে আগামী দিনে আমরা যে কাজগুলো করব এবং যে সিদ্ধান্তগুলো নেব, তা নিয়ে বিশ্বব্যাংক আমাদের সঙ্গে বসে আলোচনা করবে।’
‎
‎অর্থমন্ত্রী যোগ করেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই প্রসেসের আগে আলোচনার যে ভিত্তি তৈরি হবে, তা নিয়ে আমরা কাজ করব। আমরা একটা ভালো জায়গায় গিয়েছি। আমরা আমাদের অর্থনীতি নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিশ্বব্যাংক তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। আমরা এই পদ্ধতিতে কীভাবে আলোচনা এগিয়ে নেব, তা নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

‎একেএস/এসআই