images

প্রবাস

পর্তুগালে ইউরোপের বৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

ঢাকা মেইল ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৫, ০৭:৪১ পিএম

images

পর্তুগালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ উদ্দীপনায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির রাজধানী লিসবন, ওডিভিলাস, কাসকাইস, দামাইয়া, বাণিজ্যিক বন্দর নগরী পোর্তো, পর্যটন নগরী আলগার্ভ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহর কোইমব্রা, কৃষি শহর ওডিমিরায়সহ সারা দেশের মুসলমানরা ঈদের নামাজের আয়োজন করেন।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত পর্তুগালের লিসবনের মারতি মুনিজ পার্কের মাঠে দেশটির সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় প্রায় ১০ হাজার মুসল্লি। লিসবন বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব অধ্যাপক মাওলানা আবু সায়িদ ঈদুল ফিতরের জামাত পরিচালনা করেন। নামাজ পূর্বে ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য নিয়ে বয়ান করেন মাওলানা আলাউদ্দিন।

পর্তুগালের নিযুক্ত বাংলাদেশের দূতাবাসের দূতালয় প্রধান গোলাম সারোয়ার সহ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পর্তুগাল কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী মানুষ অংশ নেন।

এছাড়াও বন্দর নগরী ও বাণিজ্যিক শহর পোর্তোর বাঙ্গালী অধ্যুষিত রুয়া দে লউরেইরোর হযরত হামজা (র.) মসজিদে ঈদুল ফিতরের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পোর্তোর বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ ঈদের জামাত গুলোতে বাংলাদেশীদের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান,  মধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্যান্য কমিউনিটির ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসলমানগন অংশ নেন।

ঈদ জমাতে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়। সেই সঙ্গে ঈদের জামাতের পর ইসলামিক প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী মুসল্লিরা কোলাকুলি এবং কুশল বিনিময় করে। তবে লিসবনের বাংলাদেশীদের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পাজামা, রঙ্গিন পাঞ্জাবিতে বাংলাদেশীদের ঈদের ময়দানের দিকে ছুটে চলা যেন বাংলাদেশের কথাই মনে করিয়ে দিল পর্তুগালের লিসবনের মাতৃ মনিজ পার্কের ঈদগাহ ময়দান প্রবাসের বুকে যেন এক খণ্ড বাংলাদেশ।

এছাড়া লিসবনের সেন্ট্রাল জামে মসজিদ ও পোর্তোর হযরত বেলাল (রা.) জামে মসজিদে দুইটি করে, লিসবনের আলামেদা পার্ক মাঠে দুইটি,ওডিভিলাস ঈদগাঁও, দামাইয়া, আমাদোরা, রিবাইরালো, মিলপন্তেস, আলবুফেইরা, লংগাইরা, আলগ্রাব, ফারো, কাসকাইস, ওডিমিয়ারা খেলার মাঠ, কোইমব্রা জামে মসজিদে একটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসব ঈদ জামাতে পর্তুগালে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের উল্লেখযোগ্য বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করেন।

সিএ/এমএইচটি