নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
শান্তিনগর থেকে পল্টন, ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কের মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে দলটি ও তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
তবে এতে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে সড়কে। নেতাকর্মীদের অবস্থানের ফলে ধীরগতিতে চলছে গণপরিবহন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশেপাশের এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
দলীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেল তিনটা একটা শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
এতে অংশ নিতে সকাল থেকে রাজধানীসহ সারাদেশ থেকে আগত নেতাকর্মীরা মিছিলসহ নয়াপল্টন ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নিতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে।
তবে এতে সড়কে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। শোভাযাত্রায় আগত দলের নেতাকর্মীরা সড়কের দুইপাশে অবস্থান নিলেও মিছিলের কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে দেখা গেছে।
গুলিস্তান থেকে গাজীপুরগামী আজমেরী গ্লোরী, প্রভাতী-বনশ্রীসহ একাধিক বাসকে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি, নাইটেঙ্গেল মোড় ও কাকরাইলে আটকে থাকতে দেখা গেছে।
আজমেরী গ্লোরী বাসের চালক আবু হানিফা বলেন, আসার সময় শান্তিনগরে অল্প ভিড় পেয়েছিলাম। তবে এখন পল্টন থেকে নাইটেঙ্গেল মোড় পর্যন্ত আটকে আছি বলা যায়। নেতাকর্মীরা মিছিল করে আগাচ্ছে, আমারা পেছনে পেছনে আগাচ্ছি। আবার কখনো কখনো অনেক মানুষ একসঙ্গে জটলা করে দাঁড়িয়ে থাকছে। পরে আবার কোনো একজন এসে তাদের সরিয়ে দিলে সামনে আগাচ্ছি।
একই গাড়ির যাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, বন্ধের দিনে সমাবেশ, তবুও মূল সড়কটা যদি ছেড়ে অবস্থান নেয় তাহলে আমাদের যাতায়াত সুবিধা হয়।
পল্টন থেকে কাকরাইল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের অবস্থানে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় অনেককে হেঁটেও এলাকাটি পার হতে দেখা যায়।
সাহিল মাহমুদ নামে এমন এক পথচারী বলেন, বাসে ছিলাম। তবে ভিড়ের জন্য গাড়ি আগাচ্ছিল না। তাই নেমে হাঁটা শুরু করেছি। আমি মহাখালী যাবো, কাকরাইলের পর হয়তো ভিড় থাকবে না। এটুকু পার হয়ে আবার গাড়িতে উঠব।
এমএইচ/এএইচ