নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ শুরু হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টায় উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।
খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে প্রায় ৬০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ শুরু হয়।
শুক্রবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতির কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, লংমার্চের বহর শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে রূপসা সেতু দিয়ে খুলনায় প্রবেশ করবে। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে সমাপনী জনসভায় অংশ নেবে।
পথে ছয়টি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, সকাল ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং দুপুর ২টায় ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর রয়েছে।
এছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা হবে। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
জনগণের সাত দফা দাবি আদায় এবং সরকারের ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে এটি ১১ দলীয় ঐক্যের তৃতীয় দফার লংমার্চ। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্মসূচি আগের দুটি লংমার্চের তুলনায় সবচেয়ে বড়।
/এএস