Dhaka Mail Logo

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদাবাজির দুঃসাহস কাদের হতে পারে, প্রশ্ন নাহিদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদাবাজি কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে রাতের আঁধারে ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে এ ঘটনায় চাঁদাবাজি অথবা সম্পত্তি দখলের অভিযোগ থাকতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম লেখেন, রাতের আঁধারে জুলাইয়ে রাজপথের সহযোদ্ধা জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখলের—দুই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার ঘটনাটি ঘটেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে। প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের হতে পারে?

কোনো স্থাপনা অবৈধ হলে কিংবা কেউ তা দখল করে রাখলে আইন ও আদালতের মাধ্যমে তা উদ্ধারের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, আইনি পথ বাদ দিয়ে সারাদেশে ক্ষমতাসীনদের এমন আচরণ কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই প্রশ্ন রয়েছে।

পোস্টে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও তোলেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারাদেশে আগের চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কাঠামো নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের সময়ের শোষণের সাম্রাজ্য দখলের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও দখলবাজির পরিমাণ ও আওতা আরও বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ এখন এসব কর্মকাণ্ডের কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এসবের বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে তিনি বলেন, অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।

টিএই/এআর