নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৩ এএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ ফিরে পেয়েছেন মো. রাশেদ খাঁন। সাবেক জিএস ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সূত্রে জানা যায়, গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত শেষে তার ছাত্রত্বকে অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাব্বানীর দেওয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ছাত্রত্ব বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। ছাত্রত্ব বাতিলের এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় তার ডাকসুর জিএস পদটিও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
গোলাম রাব্বানীর পদ বাতিলের পর ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে ওই পদে বিজয়ী ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। দীর্ঘ সাত বছর পর গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তের পর ওই নির্বাচনের ফলের ভিত্তিতেই রাশেদ খাঁনকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করা হলো।
সিন্ডিকেটের এই সিদ্ধান্তের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটির মাধ্যমে অবৈধ প্রমাণিত হওয়া এবং সিন্ডিকেটের শোকজ নোটিশের উপযুক্ত জবাব দিতে না পারায় একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসু পদ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট তাকে (রাশেদ খাঁন) জিএস ঘোষণা করেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন নুরুল হক নুর। ওই নির্বাচনে রাশেদ খাঁন ছিলেন নুরুল হক নুরের প্যানেলের জিএস প্রার্থী। সেই নির্বাচনে ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাশেদ খান পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৬৩ ভোট।
এমআই