নিজস্ব প্রতিবেদক
০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।
তিনি বলেছেন, ‘সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি জনগণকে চরম ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছে।’
শনিবার (৮ আগস্ট) পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী হকার্স শ্রমিক আন্দোলনের তারবিয়াতী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সিস্টেম লস, দুর্নীতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবেই বার বার দামবৃদ্ধি করতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা।
মাওলানা আবদুল কাইয়ূম বলেন, ‘দেশে ব্যবহারের মতো পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকার পরও তা ব্যবহার না করে উচ্চমূল্যে এলএনজি, কয়লা ও তরল জ্বালানি আমদানি করে জনগণকে চরম ভোগান্তি ফেলে দিচ্ছে। ফলে উৎপাদন ব্যয়, বিদেশি ঋণের চাপ এবং জনগণের বিদ্যুৎ বিল সবই বাড়ছে একসাথে। এতে করে জনগণের ভোগান্তিও চরমে। বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গ্যাসের সঙ্কট সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
কর্মশালায় ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা শাহ জামাল বলেন, ‘দীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ইসলামী হকার্স শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে সকল হকারের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।’
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষক সম্পাদক মুফতি হাবিবুল্লাহ হাবিব বলেন, ‘শ্রমিকগণ আল্লাহর বন্ধু। শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি দিতে আল্লাহর রসূল সা. নির্দেশ দিয়েছে। অথচ আজ শ্রমিকদের ঠকিয়ে এক শ্রেণির মানুষ রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে।’
তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।
সংগঠনের সভাপতি গোলাম সরোয়ারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ মেহমান ইমাম হোসেন ভূঁইয়া, সংগঠনের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন আজাহার, সেক্রেটারি আব্দুল কারিম, মোশারফ হোসেন, মাও. আব্দুল আজিজ, ইঞ্জিনিয়ার নান্নু মোল্লা, মুফতি মোস্তফা কামাল জিহাদী, মুফতি আবুল হাসান জমিরী,আকরাম হোসেন, সামসুল আলম, মাও. ফজলুল করিম জিহাদী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এএম