নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম
সম্প্রতি কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সংসদে দেওয়া একটি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তার এই বক্তব্যে সংসদ সদস্যের মানহানি হয়েছে দাবি করে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার ২০ জুন একটি মামলা করেন। তবে সেই মামলায় বিব্রত হয়েছেন জানিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী সংশ্লিষ্টদের মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানান।
মনিরুল হক চৌধুরী লিখেন- আমি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, আমার নির্বাচনি এলাকা সদর দক্ষিণ থানায় কেউ একজন চরমোনাই পীর সাহেবের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না এবং কে বা কারা এ মামলা দায়ের করেছেন, সে সম্পর্কেও আমার জানা নেই। বিষয়টি জানতে পেরে আমি বিব্রত হয়েছি।
বিএনপির এই সংসদ সদস্য লিখেন- পরবর্তীতে মামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি আমার নেতাকর্মীদের বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিতে এবং মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে অনুরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছি। তারা জানিয়েছে, বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছেন। সদর দক্ষিণ থানার ওসি, আমার অ্যাডভোকেটকে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
প্রবীণ এই নেতা বলেন, সংসদে সংঘটিত অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার যে অভিযোগ ছিল, তা আমি সংসদেই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লিখিতভাবে উপস্থাপন করেছি। আমি সব সময় আইন, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার পক্ষে। সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ।
গত ১৯ জুন বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও ইউটিউব চ্যানেলে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার ২০ জুন এ মামলা করেন।
জেবি