জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০৮ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নেতাকর্মীদের রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। তবে দলের হাইকমান্ডের সম্মতি পেলে পদবঞ্চিত আরও অন্তত ১০০ জনকে কমিটিতে সংযুক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
যুবদল সভাপতি বলেন, যুবদলের সবশেষ কমিটির প্রায় ১১৪ জনকে আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রেখেছি। আমরা তাদের রাজপথের লড়াই ও অবদানকে স্বীকার করেছি, বিবেচনায় নিয়েছি। আরও কয়েকজন ত্যাগী নেতাদের আমরা জায়গায় দিতে পারিনি।এজন্য তাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি। আর যারা পদ পেয়েছেন আমরা মনে করি তারা ভাগ্যবান।
মুন্না বলেন, হাইকমান্ডের নির্দেশনা মেনে আমরা যাচাই বাছাই করে ১৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করেছি। এরপর যাদের কমিটিতে রাখতে পারেনি, তাদের জন্য চেষ্টা করর। আরও অন্তত ১০০ জনকে কমিটির সংযুক্ত করার চেষ্টা করব। সেখানে হয়তো তাদের মুল্যায়ন করার চেষ্টা করব। সুতরাং কারো হতাশ হওয়ার কারণ নেই।
বাংলাদেশে মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণি রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে- অভিযোগ করে তিনি বলেন, চতুর কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না। মবসন্ত্রাস করে পজিশন নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ ভালোভাবে নেবে না। আপনারা রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলুন, সাংগঠনিক কাজ করুন। বেফাঁস বক্তব্য-মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা সিনিয়র-জুনিয়র দেখে কমিটিতে কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যেকের অবদান দেখা হয়েছে। অতীতে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে যুবদলের নেতাকর্মী সামাজিক কর্মসূচি সেভাবে পালন করতে পারেনি। আগামী বড় পরিসরে পালন করা হবে।
বক্তব্যের শুরুতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন যুবদল সভাপতি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল, কামাল আনোয়ার, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল; সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন মামুন; মাহবুবুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বিইউ/জেবি