ঢাকা মেইল ডেস্ক
০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
মুসলিম জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নিযুক্ত হয়েছেন ডা. নাবিল আহমদ। তিনি ২০১৮ সাল থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী তৎপরতায় সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে নেতৃত্ব দেন।
শনিবার (৬ জুন) জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের উদীয়মান প্রজন্মের নেতৃত্বকে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে আরও শক্তিশালীভাবে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ডা. নাবিল আহমদকে সদস্য সচিব নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শনিবার বিকালে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নতুন মহাসচিব ডা. নাবিল আহমদ দীর্ঘ দিন ধরে গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং স্বৈরতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি আদর্শভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
এ নিয়োগ প্রসঙ্গে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বের কেন্দ্রে নিয়ে আসা অপরিহার্য। ডা. নাবিল আহমদের মতো আদর্শনিষ্ঠ, মেধাবী ও জনসম্পৃক্ত তরুণদের নেতৃত্ব জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজনৈতিক কার্যক্রমকে নতুন গতি দেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
নবনিযুক্ত সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ বলেন, আমি জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আদর্শ, লক্ষ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব ইনশাল্লাহ। বাংলাদেশে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জাতীয় মর্যাদাভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা জনগণের পাশে থাকব।
উল্লেখ্য, মুসলিম জাতীয়তাবাদী দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রতিষ্ঠিত হয়। দলটি তরুণ অ্যাক্টিভিস্ট, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত, পেশাজীবী ও প্রবীণ নাগরিকদের সমন্বয়ে একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
দলটির ঘোষিত লক্ষ্য হলো হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত বাংলা সভ্যতার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পুনর্জাগরণের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সভ্যতাগত রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করা।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সেমিনার, জনসংযোগ কর্মসূচি এবং নীতিগত প্রচারণার ফলে “মুসলিম জাতীয়তাবাদ” ও “বাংলাদেশের সভ্যতাগত পরিচয়” জাতীয় রাজনীতিতে আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
ক.ম/