নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ মে ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে তো ভালো সম্পর্ক হবে না। দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
রোববার (১০ মে) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল ২০২৬ এ বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারতে নির্বাচন তাদের নিজস্ব ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বারবার বাংলাদেশিদের সীমান্তে কেন গুলি করা হবে। সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না। ’
রিজভী আরও বলেন, ‘আপনাদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করার কোনো সুযোগ নেই। নানা সময়ে নানা কথা আসতে পারে, আপনারা আপনাদের কাজ করে যাবেন। আপনাদের পেশার মূল্যায়ন জনগণ করবে। নির্বাচিত সরকার এখন ক্ষমতায়। নির্বাচিত সরকার উন্নয়ন উৎপাদনে যারা ভূমিকা রাখে সবাইকেই মূল্যায়ন করবে।’
তিনি বলেন, ‘নানা মত থাকতে পারে কিন্তু আপনারা দেশাত্মবোধ নিয়ে কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সকাল ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নিরলস পরিশ্রম, শুধু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।’
রিজভী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে যে অঙ্গীকার আপনারা শুনেছেন, যে অঙ্গীকারগুলো আমরা অবহিত করেছি সেগুলো যাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, সেজন্য সরকারের কোনো চেষ্টার কমতি নেই।’প্রধানমন্ত্রী কোনো ফাঁপা কমিটমেন্ট করেননি, অতীতে ১০ টাকা কেজি চাল দেব, ঘরে ঘরে কাজ দেব; এ ধরনের ফাঁপা প্রতারণামূলক কোনো অঙ্গীকার তারেক রহমান করেননি।’
আট লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের চাওয়া ও বেঁচে থাকার লড়াই এবং নিজের মর্যাদার জন্য আপনাদের ন্যায়সঙ্গত বিষয়গুলো সরকার নজরে রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন আপনারাই। সরকার ইতিবাচক যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে সেগুলো জনগণের মধ্যে আপনাদের তুলে ধরতে হবে, বোঝাতে হবে এটি এমন একটি সরকার যারা জবাবদিহিতা করবে। পার্লামেন্ট শুরুর পর থেকে অধিকাংশ সংসদ সদস্যকে পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে জনগণের প্রশ্ন করার অধিকার আছে, আর বিএনপি সরকার জবাবদিহিতা করছে।’
এআরএম