images

রাজনীতি

বিএনপির মাধবী মারমার প্রার্থিতা বাতিল চান ছাত্রদল নেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত মাধবী মারমার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্রা চাকমা। 
 
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সংরক্ষিত নারী আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এই আপিল করেন চন্দ্রা। 
 
ছাত্রদলের এই নেত্রী আপিল শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত নারী প্রার্থী মাধবী মারমা জেলা পরিষদের ‘সদস্য’ পদ না ছেড়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া গত ২১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এটি আইনগতভাবে অবৈধ। সেজন্য আমি তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 
 
এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী আপনিও ছিলেন কি না- জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, 'হ্যাঁ, আমিও প্রার্থী ছিলাম। বিএনপি থেকে নমিনেশন কিনেছিলাম এবং নির্বাচন কমিশন অফিস থেকেও আমি নিয়েছিলাম। 
 
সরকার তো স্থানীয় সরকারগুলোকে বিলুপ্ত করেছিল, আপনাদের পার্বত্য জেলাগুলোতে কি বিলুপ্ত হয়নি- জানতে চাইলে চন্দ্রা চাকমা বলেন, অন্যান্য জেলা পরিষদের আইন এক ধরনের, আর তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আইন আরেক ধরনের। জেলা পরিষদের আইনে লেখা আছে যে পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ইত্যাদি জনসেবক বলে গণ্য হইবেন। এটা একটা বিষয়। আরেকটি বিষয় হচ্ছে চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের পদত্যাগ সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর যুক্ত পত্রযোগে চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর যুক্ত পত্রযোগে যে কোনো সদস্য স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারবেন। 

চন্দ্রা চাকমা বলেন, পদত্যাগ গৃহীত হওয়ার তারিখ হইতে পদত্যাগ কার্যকর হইবে এবং পদত্যাগকারীর পদ শূন্য হইবে। উনি (মাধবী) কিন্তু পদত্যাগ করেননি। উনি ২১ তারিখে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ কারণে তিনি জেলা পরিষদের আইন যেমন লঙ্ঘন করেছেন তেমনি নির্বাচন কমিশনের যে আইন আছে সেটাও কিন্তু তিনি লঙ্ঘন করেছেন।’
 
তবে চন্দ্রা চাকমার এই অভিযোগ অস্বীকার করে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাধবী মারমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ২০ এপ্রিল পদত্যাগ করেছি। এটার কপি অনুমোদন হয়ে যেখানে যাওয়ার সেখানে চলেও গেছে।’

ক.ম/