নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরদিনই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি’র দাম এক লাফে বাড়ানো হয়েছে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। এখন সিলিন্ডার প্রতি গ্রাহককে আগের চেয়ে ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে। এপ্রিলের শুরুতেও একবার দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। শহরের সিংহভাগ মানুষ রান্নার জন্য এলপিজির ওপরে নির্ভর করে। এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের খরচের ওপর চাপ তৈরি করবে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি উস্কে দেবে। উচ্চহারে তেল ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সাধারণ পরামর্শ হলো, সরকারের ব্যয় কমানো। আর সরকার ব্যয় কমানোর অর্থ ধরে নেয়, জ্বালানির দামবৃদ্ধি করা। অথচ আইএমএফসহ অন্যরা রাজস্ব বৃদ্ধির পরামর্শও দেয়। কিন্তু সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পথে না হেঁটে সহজপন্থা হিসেবে জ্বালানির মূল্য বাড়িয়ে দেয়। জ্বালানির দামবৃদ্ধি দৃশ্যত লিটারে ২০ টাকা দেখা গেলেও এর বহুমাত্রিক মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। সর্বত্র এর প্রভাব পরে। যা একজন নাগরিককে প্রতিটি কেনাকাটায় বাড়তি অর্থ প্রদানে বাধ্য করে।
আমরা সরকারকে বলবো, জনগণের ওপরে দামের বোঝার চাপ বাড়িয়ে সংকট সমাধানের পথে হাঁটবেন না। বরং জনগণের বোঝা লাঘব করার চেষ্টা করুন। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে যদি দেশেও তেলের দাম বৃদ্ধি করতে হয় তাহলে বিশ্ববাজারে যখন তেলের দাম কমে তখন দেশেও তেলের দাম কমানোর নীতি নিতে হবে এবং তেলের দামবৃদ্ধির সঙ্গে যা যা দাম বেড়েছে তা কমানোর ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কখনো দাম কমে না। তাই সরকারকে বলব, জ্বালানির দামবৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। মানুষের কষ্ট লাঘবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এমআর/এফএ