নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন এবং শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম করে গেছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীতে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও স্মরণসভায় আবু হানিফ এসব বলেন।
আবু হানিফ বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের সময় জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনের পাশে থেকেছেন।
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মরণে রাষ্ট্রীয়ভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এমনকি বর্তমান সরকারের সময়েও তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত না হওয়াকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি। আগামীতে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করতে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়।
দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য শহিদুল ইসলাম ফাহিম বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন নির্ভীক দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সংগঠক এবং গণমানুষের চিকিৎসাসেবার পথপ্রদর্শক। তিনি আজীবন শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য হাবিবুর রিজু। এ সময় আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লায়ন নুর ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন এবং শ্রমিক অধিকার পরিষদের নেতা আব্দুর রহমানসহ অন্যরা।
এমআর/ক.ম