জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ পিএম
দুষ্টু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সমাজের মানবিক ও সেবামূলক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ওপর চাঁদাবাজদের হামলা-হয়রানি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির এসব বলেন।
অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামকে একজন মানবিক ও গরিববান্ধব চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, তিনি শুধু একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নন, বরং অসহায় মানুষের আস্থার জায়গা। দীর্ঘদিন ধরে একটি চাঁদাবাজ চক্র রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার কাছে অবৈধভাবে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
জামায়াত আমির বলেন, ডা. কামরুল ইসলাম শুরু থেকেই এ ধরনের অবৈধ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই চক্র একজন জ্যেষ্ঠ ও সম্মানিত চিকিৎসকের সঙ্গেও ‘গর্হিত আচরণ’ করতে দ্বিধা করেনি।
‘এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কারা জনগণকে সমাজসেবামূলক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত করছে, তা এখন পরিষ্কার। এই দুষ্টদের কঠোরভাবে দমন করা এখন জনতার দাবি।’ বলেন ডা. শফিক।
পোস্টের শেষে ডা. কামরুল ইসলামের সুস্থতা ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য দোয়া কামনা করেন জামায়াত আমির। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি যুবদল নেতা পরিচয়ে চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে একটি চক্র। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী চিকিৎসকের কাছে যান যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর শ্যামলীর ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে ডা. কামরুলের সঙ্গে দেখা করেন যুবদল নেতারা। এ ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন যুবদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টে জানানো হয়, যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে ডা. কামরুল ইসলাম জানান, ৫ আগস্টের পর শ্যামলীর চার নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে খাবার সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ নেয়। কিন্তু তিনি খাদ্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম নিতেন দেখে তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর তিনি লোকজন নিয়ে এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের গালাগালি করেন ও টাকা চান।
টিএই/ক.ম