নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বাদ আসর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের চত্বরে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ এ নামাজের আয়োজন করে। এতে ইমামতি করেন প্রিন্সিপাল মুফতি শাহাবুদ্দিন তালুকদার।
এর আগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
সমাবেশে প্যান ইসলামিক মুভমেন্টের নেতা শাহ আবদুল আজিজ, পিস পাবলিকশন্সের প্রকাশক রফিকুল ইসলাম, পিপল অ্যাকশন কমিটির মুহাম্মদ নাসির হোসেন, জালালুদ্দিন রুমি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফাহিম ফেরদৌস, দলের আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব আবদুস সালাম ও গালীব ইহসান, সদস্য সাইদুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম, মাদরাসা-ই-আলীয়ার আহ্বায়ক রাকিব মন্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে খোমেনী ইহসান বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম ষড়যন্ত্র বৃহত্তর ইসরায়েল প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যায় শুরু হয়ে গেছে। এখন মুসলমানেরা ঐকবদ্ধ না হলে সুন্নী আরব দেশগুলো দখল করে বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে।
খোমেনী ইহসান বলেন, ইসরায়েল ও আমেরিকা প্রথমে জাতীয়তাবাদী মুসলিম নেতা শহীদ ইয়াসির আরাফাত, শহীদ সাদ্দাম হোসাইন ও শহীদ মোয়াম্মের গাদ্দাফীকে হত্যা করেছে। তখন সুন্নী ও শিয়া নেতারা চুপ ছিল। এখন শিয়া নেতা শহীদ হাসান নাসরুল্লাহ ও শহীদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীকে হত্যা করা হলো। এখন সুন্নীরা চুপ আছে। তবে ইসরায়েল ইরানকে দখল করবে না বরং শিয়া নেতাদের হত্যা করে অগ্নিপূজারী মুশরিক ও নাস্তিকদের ক্ষমতায় বসাবে। কিন্তু তারা বৃহত্তর ইসরায়েল গড়তে সুন্নী আরবদেরই দখল করবে।
সাইয়েদ কুতুব ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনীর শহীদী মৃত্যুতে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করেন খোমেনী ইহসান। তিনি বলেন, ৮৬ বছর বয়সেও আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাছে মাথা নত না করে প্রিয় রাহবার শাহাদাতের পথ বেছে নিয়ে মুসলমানদের বিজয়ী করে গেছেন।
আবদুস সালাম সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদের বিরুদ্ধে শিয়া, সুন্নী, সালাফী, সুফিবাদী ও লিবারেল নির্বিশেষে সব মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার আহ্বান জানান৷
ক.ম/