নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ বিভাগের মোট ২৪টি আসনের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয়ী হয়েছেন। এতে দেখা গেছে, বিএনপি প্রার্থীরা প্রায় সব জেলার মূল আসনগুলোতে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা চারটি আসনে বিজয় লাভ করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাত্র একটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
ময়মনিসংহের ১১ আসনের আটটিতেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী দুটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী একটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া): এই আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। সালমান ওমর রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট ও সৈয়দ ইমরান সালে প্রিন্স পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা): এ আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২০২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেইন ৭৫ হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৯৯৫ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৬৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮০ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ২২৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া): এ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আখতার সুলতানা ফুটবল পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ৯৯ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮৫১ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) : এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফল্লাহেল মাজেদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল ছাতা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১৫ ভোট।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৫ হাজার ৭৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিডিপির ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৭১ হাজার ১৬৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীকের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিকুর রহমান পেয়েছেন ৬৭ হাজার ১৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১১ হাজার ২৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকের প্রার্থী মোরশেদ আলম পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১৬ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনেই দাপুটে বিজয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ): এ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) ১ লাখ ৭২ হাজার ১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. নাজমুল হক ৯৩ হাজার ৬৬১ ভোট পেয়েছেন। ৭৮ হাজার ৪৫৪ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের এম রশিদুজ্জামান বিজয়ী হন।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর): এ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে সুলতান মাহমুদ (বাবু) ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ছামিউল হক ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়েছেন। ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের সুলতান মাহমুদ বাবু বিজয়ী হন।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ): এ আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট পেয়েছেন। ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৭ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী): এ আসনে ৮৮টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট পেয়েছেন। ১ লাখ ২ হাজার ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার বিজয়ী হয়েছেন।
জামালপুর-৫ (সদর): এ আসনে ১৬১টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী (মামুন) ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ পেয়েছেন। ৮৬ হাজার ৫৯৭ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের মো. ওয়ারেছ আলী বিজয়ী হন।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী।
নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর): এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৮ ভোট। কায়সার কামাল ৭০ হাজার ৮৫৫ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।

নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা): আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আনোয়ারুল হক ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির ফাহিম রহমান খান পাঠান শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। আনোয়ারুল হক ১ লাখ ৪ হাজার ৩২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া): এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম হিলালী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৬১ ভোট। রফিকুল ইসলাম হিলালী ৪৯ হাজার ৫০৮ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী): এ আসনটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চম্পা রানী সরকার কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ২৮২ ভোট। লুৎফুজ্জামান বাবর ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা): এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাছুম মোস্তফা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট। তাঁদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৭৬৫টি।
এই জেলার তিনটি আসনের মধ্যে দুটিতে নির্বাচন হয়। এর মধ্যে একটি বিএনপি এবং একটিতে জামায়াতে ইসলামী জয় লাভ করে।
শেরপুর–১ (সদর): এ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। ১৪৫ কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৪১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ধানের শীষ প্রতীকে ৭৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়েছেন। জয়ী প্রার্থীর ব্যবধান ছিল প্রায় ৪৯,০০০ ভোট।
শেরপুর–২ (নকলা ও নালিতাবাড়ি): এ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে তিনি ১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ২১২ ভোট।
শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী): এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে ওই সংসদীয় আসনের নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এএইচ/জেবি