images

রাজনীতি

একটি দল দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে: তারেক রহমান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি দল দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়। যেমন গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল, এখন আবার একটি দল মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় লালবাগের আবদুল আলিম ঈদগাহ মাঠে ঢাকা-৭ আসনের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, তারা মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছে। মানুষের কাছে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র চাইছে। এর মাধ্যমে তারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ ভোটাধিকার কেড়ে নিতে না পারে।

এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-৭ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এই মুহূর্তে একমাত্র রাজনৈতিক দল, যা আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা জনগণের সঙ্গে ভাগ করেছে। দলটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি দিয়েছে কিভাবে আগামীতে জনগণের ভাগ্য ও দেশের উন্নয়ন পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ঠিক যেভাবে দেড় বছর আগে স্বৈরাচার বিতাড়িত হয়েছিল, সেই সময় তাদের হাতে বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তারেক রহমান বলেন, এখন সেই দল ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। পত্রিকায় আমরা দেখেছি, তাদের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে। নির্বাচনের গোপন সিল বানানোর সময় তারা ধরা পড়েছে। বিভিন্ন সোশ্যাল ও সংবাদ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, তারা মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছে, তাদের বিকাশ বা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর চাইছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বহু ত্যাগ, বলিদান, গুম ও অত্যাচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবার ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। তাই এই ভোটাধিকারকে রক্ষা করতে আমাদের সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। নির্বাচনে জয়ী হলে বিশেষ করে খেটে খাওয়া পরিবার, নারী প্রধান পরিবার, গৃহিণী ও মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া হবে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি খেটে খাওয়া পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলবে এবং ধীরে ধীরে পুরো বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

এমআইকে/এআর