images

রাজনীতি

ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্রপতি’ প্রশ্নে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ইন্নাল্লাহা মা’আসসোবিরীন- নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। যিনি সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি- এমন মানুষই আগামীর রাষ্ট্রপতি হবেন।’

‎শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য মানুষের ধৈর্য ও সংগ্রাম প্রয়োজন। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, শান্তি চায়, সুশাসন চায়। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না, কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ। দেশকে সঠিক পথে নিতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সৎ ও যোগ্য লোকদের দায়িত্ব দিতে হবে।’

‘দেশ পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটা আমানত। এই আমানত যাদের হাতে যাবে, তাদের অবশ্যই সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে’, যোগ করেন তিনি।

এদিন কাফরুল থানা এলাকার উত্তর ইব্রাহিমপুর, ব্যাটেলিয়ন বউ বাজার সংলগ্ন বাইতুস সালাত জামে মসজিদে (বর্ণমালা ওয়ার্ড) মাগরিবের নামাজ আদায় শেষে গণসংযোগ শুরু করেন ‎ডা. শফিকুর রহমান।

পরে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন এবং নানা সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে তাদের মতামত শোনেন।

পাশাপাশি এলাকাবাসীর বিভিন্ন সমস্যা- যেমন নাগরিক সেবা, দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করেন জামায়াত আমির।

‎এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর নায়বে আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের আসন পরিচালক আব্দুর রহমান মুসা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম, ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কাফরুল দক্ষিন থানা আমির, আনওয়ারুল করীম, সেক্রেটারী আবু নাহিদসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

এএইচ/এএম