০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪২ এএম
বাংলাদেশ অর্থনীতি নানামুখী চাপ ও চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগের যে প্রবাহ থাকার কথা ছিল সেখানে ধূসর মরুভূমির অবস্থা বিরাজ করছে। বন্ধ হয়ে আছে শত শত কলকারখানা। বেড়ে যাচ্ছে মূল্যস্ফীতি। ব্যাংকিং থাতে বিরাজ করছে চরম বিশৃঙ্খলা। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলছে টালবাহানা।
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডির অপারেশন নিয়ে চলছে আন্দোলন। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে মেনে নিতে পারছে না ব্যাংকের গ্রাহক, শেয়ার হোল্ডার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ। চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবিতে মাঠে নেমেছে আমানতকারীদের সংগঠন গ্রাহক ফোরাম। গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখে ব্যাংকে এখনো ঢুকতে পারেনি বিতর্কিত নতুন চেয়ারম্যান। ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডার ও গ্রাহকরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ জলকামান টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে অনেক গ্রাহক আহত হয়। এ ধরনের ঘটনা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। দেশের শিল্প খাত, পোশাক খাত, এসএমই খাতসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পেও ইসলামী ব্যাংকের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সও এ ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আহরিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্রাহকদের আমানত, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংকে পরিণত হয়।
শরিয়াহ ভিত্তিক কার্যক্রমের কারণে এটি গ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি নানা চ্যালেঞ্জ ও অস্থিরতা কাটিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এবং আমানত ও রেমিট্যান্স সংগ্রহের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স সংগ্রহের জন্য ব্যাংকটি রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকটির
মোট আমানত ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ২২,০০০ কোটি টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। নানা অপপ্রচার ও গুজবের পরেও ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিট বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রাহকের আস্থা ও বিশ্বাস এর অন্যতম শক্তি।
বিগত বছরগুলোতে তারল্য সংকট ও অনিয়মের কারণে আস্থাহীনতা তৈরি হলেও, বর্তমানে সুশাসন ফিরে আসায় গ্রাহকদের আস্থা বাড়ছে এবং নতুন আমানত বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং সেগমেন্টে ও আমানত ২২,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ইসলামী ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক বিভিন্ন মোডে বিনিয়োগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেমিট্যান্সের অবস্থা: ইসলামী ব্যাংক রেমিট্যান্স আহরণে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। টানা ১৮ বছর ধরে রেমিট্যান্স আহরণে ব্যাংকটি দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
২০২৫ সালে ব্যাংকটি ৭৬,০০০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েও (ঈদের আগে) সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স সংগ্রাহক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক শীর্ষে রয়েছে। প্রবাসীদের আস্থা এ ব্যাংকের প্রতি কত যে মজবুত তারই প্রমাণ ফুটে উঠে। এ ব্যাংকের বিরুদ্ধে যখনি নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, তখনই প্রবাসী গ্রাহকরা তাদের রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শক্তি দেখিয়ে দিয়েছিল। বর্তমানেও ইসলামী ব্যাংকে তার ধারা তারা রক্ষা করে চলেছেন।
গ্রাহকের আস্থা ও ভালোবাসার ব্যাংক: ইসলামী ব্যাংক এদেশের গণমানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা পূরণের ব্যাংক। বার বার এ ব্যাংকটাকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্তন করার নানা চেষ্টা করা হয়েছিল। সর্বশেষ ২০১৭ সালের পর থেকে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রামভিত্তিক একটি ব্যবসায়ী গ্রুপে এস আলমের হাতে চলে যায়। এরপর থেকে ব্যাংকে নানা অনিয়ম, বেনামী ঋণ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠতে থাকে। ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা পাচার করা হয়, আত্মসাৎ করা হয়, প্রভাব খাটিয়ে বিনিয়োগ নিয়ে খেলাপি করা হয়। যার প্রেক্ষিতে আজ ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি হয়েছে।
শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই ১ লাখ ৫ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা নামে বেনামে বের করা হয়। এতো কিছুর পরও গ্রাহকের আস্থা ও তাদের অর্থ এ ব্যাংকে জমা রেখে ব্যাংকের অবস্থান মজবুত রেখেছে। তাই গ্রাহক ও নিবেদিত কর্মকর্তারা এ ব্যাংকের শক্তি।
জাতীয় অর্থনীতিতে ইসলামী ব্যাংকের অবদান: দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক দেশের মোট আমানত ও বিনিয়োগের অন্যতম বৃহৎ অংশীদার, যা শিল্পায়ন, রেমিট্যান্স আহরণ (প্রায় ২৯%), এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছে।
ক) রেমিট্যান্স আহরণ: বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রায় ২৯ শতাংশ আসে এই ব্যাংকের মাধ্যমে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করে।
খ) শিল্প ও কর্মসংস্থান: ব্যাংকটি ৬,০০০-এর বেশি শিল্প প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে শীর্ষ অর্থায়নকারী হিসেবে প্রায় ১২ মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রেখেছে।
গ) আমানত ও বিনিয়োগ: এটি দেশের ব্যাংকিং খাতে সর্বোচ্চ আমানত সংগ্রাহক ব্যাংকগুলোর একটি, যার বিনিয়োগ দেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ১২ শতাংশের বেশি।
ঘ) পল্লী উন্নয়ন: ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির (আর ডিএস) মাধ্যমে এটি প্রায় ১.৯ মিলিয়ন প্রান্তিক পরিবারকে অর্থনৈতিক মূলধারায় যুক্ত করেছে, যা গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে সাহায্য করছে।
ঙ) ডিজিটাল ব্যাংকিং ও সেবা: ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন ব্যবহারকারীকে ডিজিটাল সেবা প্রদান করছে এবং ৪০০-এর বেশি শাখা, ২৭১ এর বেশি উপশাখা, ২,৮০০-এর বেশি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাংকিং সেবা বিস্তার করছে।
চ) কর প্রদান: এটি দেশের ব্যাংকিং খাতে সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি, যা সরাসরি রাজস্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
এটি দেশের উৎপাদনশীল খাত, যেমন—গার্মেন্টস, কৃষি, এবং আবাসন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছে। এ ব্যাংকের কিছু হলে দেশের অর্থনীতি ভয়াবহ খাদের কিনারে চলে যাবে, যা কেউ কামনা করে না।
ইসলামী ব্যাংক সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন: ইসলামী ব্যাংক দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংকের সমৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ধি করবে। তাই বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক যে গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে তা থেকে উত্তরণের জন্য সকল গ্রাহক, শুভাকাঙ্ক্ষীও শেয়ার হোল্ডারদের এগিয়ে আসা উচিত। যদি সুশাসন, স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায় তবে প্রতিষ্ঠানটি আবারো দেশের ব্যাংকিং খাতে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।
একটি একটি ব্যাংকে প্রকৃত শক্তি শুধু তার মূলধনই নয় বরং দেশের জনগণের আস্থা, আইনের শাসন এবং সুশাসনের ওপর নির্ভরশীল। একসময়ের বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ এই ব্যাংকের লুটেরাদের প্রভাবমুক্ত রাখতে রাষ্ট্র, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংকার, গ্রাহক এবং দেশের জনগণের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের করণীয় হলো আইনের শাসন নিশ্চিত করা, অতীতের যেসব বিতর্কিত মালিকানা পরিবর্তন বা প্রভাব বিস্তার হয়েছে সেগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ব্যাংক ধসে পড়লে কি হতে পারে: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দেশের ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আমানতের নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এই বৃহৎ ব্যাংকটি ধসে পড়লে পুরো আর্থিক খাতে ভয়াবহ তারল্য সংকট, লেনদেনে আস্থাহীনতা এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রবল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। ইসলামী ব্যাংক ধসে পড়লে অর্থনীতিতে যেসব প্রভাব পড়তে পারে, তা হলো: ১) আমানতকারীদের আস্থায় ধস: ব্যাংকটি ধ্বংস হলে অন্য ব্যাংকগুলোর ওপরও গ্রাহকদের আস্থা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। তখন সবাই একযোগে নিজেদের জমানো টাকা তুলে নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়বে, যা পুরো ব্যাংকিং খাতকে ভয়াবহ তারল্য সংকটে ফেলবে। ২) ব্যাপক তারল্য সংকট: ইসলামী ব্যাংকে প্রায় ৪.৭৪ ট্রিলিয়ন টাকার আমানত রয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আটকে গেলে বা গ্রাহকরা ফেরত না পেলে বাজারে টাকার অভাব দেখা দেবে, যার ফলে নতুন বিনিয়োগ ও ঋণদান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।
৩) অন্যান্য ব্যাংকে পতন: ব্যাংকগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আন্তঃযোগাযোগ থাকে। ইসলামী ব্যাংক ব্যর্থ হলে আন্তঃব্যাংক লেনদেন ব্যবস্থায় চেইন রিঅ্যাকশন বা ডমিনো এফেক্ট তৈরি হবে এবং অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। ৪) মূল্যস্ফীতি ও টাকার মান পতন: ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাধ্য হয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা ছাপাতে হতে পারে। এর ফলে বাজারে মুদ্রাস্ফীতি বহুগুণ বেড়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাবে।
৫) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে স্থবিরতা: শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহে ব্যাংকটির ব্যাপক অবদান রয়েছে। ব্যাংক বন্ধ হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো মূলধন সংকটে পড়বে, উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি বন্ধ হয়ে ব্যাপক বেকারত্ব দেখা দেবে।
কেন নতুন চেয়ারম্যান ও এমডি: লুটপাট ও পাচারের পরেও যখনই ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল তখনই সরকার কোন কুমতলবে সাবেক চেয়ারম্যান ড. জুবায়েদুর রহমান ও এমডি মো. ওমর ফারুক খানকে পদত্যাগ করিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বিগত পলাতক শেখ হাসিনা সরকারের মদদপুষ্ট মো. খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে। আমাদের প্রশ্ন হলো বর্তমান বিএনপি সরকারের মধ্যে কি যোগ্য, অভিজ্ঞ ও সৎ কোনো লোক নেই যাকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা যেতে পারে। বিতর্কিত ব্যক্তি মো. খুরশিদ আলমকে কি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানাতেই হবে। ব্যাংকের পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, দেশের অর্থনীতি যাই হোক না কেন তথাপিও বর্তমান চেয়ারম্যানকে এ পদে রাখতেই হবে। এতো একঘেঁয়েমি মনোভাব কেন! এটা কি দেশের অর্থনীতিকে আরো চ্যালেঞ্জে ও ঝুঁকিতে ফেলে দেবে না?
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক চৌকস অফিসার রয়েছেন তাদেরকে বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার। অর্থমন্ত্রী নিশ্চয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন। দেশের অর্থনীত, শিল্প, বাণিজ্যের উন্নয়ন দরকার না চেয়ারম্যানকে তার চেয়ে বড় মনে করে রাখতে হবে? অর্থনীতি ও ব্যাংক সুরক্ষার স্বার্থে ও গ্রাহকদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারকে ও গভর্নরকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত সমাধান করতে হবে। নচেৎ মানুষের মাঝে ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থার সংকট দেখা দেবে, যা কোনো অবস্থায় কাম্য নয়। চেয়ারম্যানের চেয়ে ব্যাংক বড় তার চেয়ে বড় দেশের অর্থনীতি। কাজেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
লেখক: কলামিস্ট ও অর্থনীতি বিশ্লেষক।