ঢাকা মেইল ডেস্ক
১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
ঈদ আসে। প্রতিবার একইভাবে আসে না। কখনো সে আসে এক ঝোড়ো হাওয়ার শব্দ হয়ে, কখনো ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ মেখে, আবার কখনো বা নিছক এক পশলা স্মৃতির দহন হয়ে। ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল কালির দাগ দেখে যখন বুঝতে পারি উৎসব দোরগোড়ায়, তখন বুকের ভেতরটা কেমন যেন খাঁ খাঁ করে ওঠে। আমাদের মতো শিকড়ছেঁড়া মানুষের কাছে ঈদ মানে তো কেবল ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, ঈদ মানে এক চিলতে রোদ মাখা শৈশবে ফিরে যাওয়া। শহরে ঈদ আসে নির্ঘণ্ট মেনে, আর আমার সেই গ্রামে ঈদ আসত নদীর হাওয়া আর ধানের শিষের দোল খাওয়া দেখে।
শৈশবের সেই দিনগুলো ছিল বড় অদ্ভুত। রূপগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে দাঁড়ালে মনে হতো পৃথিবীটা কতই না বড়, আর সেই অবারিত মাঠের শেষে যেখানে আকাশটা নুয়ে পড়েছে, সেখানেই বোধহয় লুকিয়ে আছে ঈদের চাঁদ। বৈশাখী বিকেলের ধুলো উড়িয়ে যখন পশ্চিম আকাশে এক ফালি রুপোলি রেখা ফুটে উঠত, তখন আমাদের পাড়ায় এক মহোৎসব শুরু হয়ে যেত। সেই চাঁদ দেখা ছিল এক শিল্প। আজ শহরের বহুতল আবাসন থেকে কৃত্রিম আলোর ভিড়ে সেই রূপালি রেখাটি খুঁজলে পাওয়া যায় না। শহরের আকাশে চাঁদ ওঠে না, ওঠে কেবল যান্ত্রিক এক উপগ্রহ। এই না-পাওয়া থেকেই জন্ম নেয় এক গভীর বিষাদ, যা আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায় শহরের প্রতিটি অলিগলিতে।
গ্রামের ঈদের সকাল শুরু হতো ভোরের অনেক আগে। ফজরের আজানের রেশ কাটতে না কাটতে চারপাশ যেন এক অলৌকিক চঞ্চলতায় জেগে উঠত। এখনকার মতো মোবাইলের অ্যালার্ম নয়, ঘুম ভাঙত উঠোনে জল ছিটানোর সেই স্নিগ্ধ শব্দে। মা যখন ভোরে উঠে উঠোন পরিষ্কার করতেন, তখন ভিজে মাটির এক অদ্ভুত ঘ্রাণ নাকে আসত। সেই গন্ধটাই ছিল আমার কাছে উৎসবের প্রথম লিপি। আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়ির ঘেরাটোপে সেই মাটির গন্ধ কোথায়? এখানে তো এয়ার ফ্রেশনারের কৃত্রিম সুবাসে উৎসবকে সাজাতে হয়, কিন্তু প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় না।
আমাদের সেই পৈতৃক ভিটার উঠোনটি ছিল যেন এক আস্ত মহাকাব্য। ঈদের আগের দিন থেকে সেখানে চলত যজ্ঞ। কোথাও আলপনা আঁকা হচ্ছে, কোথাও আবার বিশালাকার উনুনে সেমাইয়ের হাঁড়ি চড়েছে। এই প্রস্তুতির কোনো লিখিত ব্যাকরণ ছিল না, কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এক অবিনশ্বর অভ্যাস। উঠোন যেন জানত, কাল এক বিশেষ দিন। শৈশবে সেই উঠোন ছিল আমাদের অঘোষিত স্বর্গরাজ্য। নতুন জুতোর মচমচে শব্দে যখন সেই উঠোনময় দৌড়াতাম, তখন মনে হতো সময় যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। অথচ শহরের এই ড্রয়িংরুমে ঈদ আজ বড় বেশি নিভৃত, বড় বেশি কুণ্ঠিত।
শহরের ঈদ যেন যান্ত্রিকতার এক নিষ্প্রাণ কোলাজ। শহরে ঈদ মানে এক টুকরো অবসর। কাজের চাপে পিষ্ট হতে হতে পাওয়া দু-চার দিনের একঘেয়ে ছুটি। কিছু কেনাকাটা, কিছু লৌকিকতা, আর নেটমাধ্যমের দেয়ালে কিছু কৃত্রিম শুভেচ্ছার বিনিময়। গ্রামে ঈদ ছিল সমষ্টির, শহরে ঈদ বড় বেশি ব্যক্তির। এখানে ঈদ আসে তারিখ ধরে, সময় ধরে নয়। গ্রামের ঈদ ছিল ছড়িয়ে পড়ার, শহরের ঈদ হলো গুটিয়ে আসার। শহরের মানুষ ঈদের দিনটাকেও রুটিনে বেঁধে ফেলে। সকাল দশটায় নাস্তা, এগারোটায় ঘুম, বিকেলে ফেসবুক স্ক্রলিং। অথচ গ্রামে সময় ছিল সমুদ্রের মতো বিশাল ফুরিয়েও যেন ফুরোত না।
শহরে উঠোন নেই, আছে বারান্দার কোণে টবে রাখা কিছু রুগ্ন গাছ। সেখানে হাসির শব্দও যেন পাশের ঘরের বাসিন্দার ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটায় এই ভেবে মাপা। গ্রামে হঠাৎ কেউ বাড়ি এলে বাড়ির শ্রী বাড়ত, আর শহরে হঠাৎ কেউ কলবেল টিপলে কপালে ভাঁজ পড়ে। এই যে ‘হঠাৎ’ মানুষের আসা-যাওয়া, এটাই ছিল বাঙালির উৎসবের প্রাণ। শহর আমাদের অনেক দিয়েছে, কিন্তু সেই আকস্মিক আনন্দের নির্ভেজাল স্বাদটুকু কেড়ে নিয়েছে। আজ আমাদের দুশ্চিন্তা ফ্রিজে জায়গা আছে কি না, অথচ গ্রামে দুশ্চিন্তা ছিল সবাইকে পেট ভরে খাওয়ানো গেল কি না। এই উদারতার অভাবই শহরকে বড় বেশি রুক্ষ করে তোলে।
ঈদের নামাজে যাওয়ার সেই মুহূর্তটি ছিল বড় রোমাঞ্চকর। দাদা আর আব্বা সামনে হাঁটছেন, আমি পেছনে। পরনে নতুন কড়কড়ে ইস্ত্রি করা পাঞ্জাবি, মাথায় নকশা করা টুপি। মেঠোপথ দিয়ে যখন ঈদগাহের দিকে এগোতাম, মনে হতো এক অনন্ত মিছিলে শামিল হয়েছি। পথে পথে কত মানুষের ভিড়। কেউ দাঁড়িয়ে সুখ-দুঃখের আলাপ করছে, কেউ রঙ্গীন কাগজে লেখা ঈদ মোবারক কার্ড আলপিন দিয়ে পাঞ্জাবীতে সেটে দিচ্ছে। কেউ আবার দীর্ঘদিনের মান-অভিমান এক নিমেষে বুক মিলিযে মুছে ফেলছে। সেই ঈদগাহে পৌঁছানো কোনো গন্তব্য ছিল না, ছিল এক মহামিলনের তীর্থ।
নামাজ শেষে সেই যে কোলাকুলি, তার মধ্যে কোনো মেকিভাব ছিল না। বহু দূরে থাকা আত্মীয় কিংবা শৈশবের হারানো বন্ধু সবাইকে বুকে জড়িয়ে ধরার মধ্যে যে অসীম শান্তি ছিল, তা আজ শহরের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে কল্পনা করাও কঠিন। শহরের ঈদগাহে নামাজ শেষ হতেই মানুষ যে যার মতো দৌড় লাগায়। কারো অফিসের কাজ, কারো বা জ্যাম এড়ানোর তাড়া। উৎসবের সামাজিক অংশটি এখানে বড়ই সংক্ষিপ্ত, বড়ই শীর্ণ। আমরা পাশাপাশি দাঁড়াই ঠিকই, কিন্তু আমাদের মন পড়ে থাকে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কানাগলিতে।
গ্রামের ঈদের খাওয়া-দাওয়া কেবল উদরপূর্তি নয়, তা ছিল এক ঐশ্বরিক আদানপ্রদান। ভোরের আলো ফুটতেই বাড়িতে সেমাইয়ের যে ঘ্রাণ ছড়াত, তা আজও আমার নস্টালজিয়ার বড় অংশ। কতজন খাবে তার কোনো হিসেব ছিল না। আম্মা বোনদের বলতেন, “রান্না একটু বেশিই কর, কার নসিবে আমাদের খাবার আছে কে জানে!” এই ‘না-জানা’র মধ্যেই ছিল ঈদের মাধুর্য। দুপুরে পোলাও আর দেশি মুরগির ঝোলের সেই স্বাদ আজ আর কোনো পাঁচতারা হোটেলের রেস্তোরাঁয় খুঁজে পাই না। কারণ সেখানে রান্নার উপকরণ থাকে, কিন্তু মায়ের হাতের মমতার সেই ‘সিক্রেট ইনগ্রেডিয়েন্ট’ থাকে না।
শৈশবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল কার বাড়িতে কতবার যাওয়া যায়। এক বাড়িতে খেয়ে পেট ভারি হয়ে গেলেও অন্য বাড়ির কাকীমার হাতের পায়েস না খেয়ে ফেরার উপায় ছিল না। সেই জেদ আর আবদারের মধ্যে যে মমতা মাখানো ছিল, তা আজ ‘ডায়েট কন্ট্রোল’ আর ‘ম্যানার্স’-এর ভিড়ে হারিয়ে গেছে। শহরে খাবার পরিকল্পিত, মেপে মেপে পরিবেশন করা হয়। সেখানে আন্তরিকতা থাকতে পারে, কিন্তু সেই গ্রামের উন্মুক্ত হৃদয় নেই যেখানে আগন্তুকও পাত পেড়ে খেতে বসত। আজ আমরা সামাজিক হতে শিখছি অ্যাপের মাধ্যমে, অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা সামাজিক হতেন এক থালা ভাত ভাগ করে খাওয়ার মাধ্যমে।
শিশুদের আনন্দ ও আধুনিকতার বিষাদে সেকাল আর একালে ঈদ। শিশুদের চোখে গ্রামের ঈদ মানে ছিল এক আকাশ মুক্তি। ঈদি হিসেবে পাওয়া সেই কয়েকটা কড়কড়ে নোটের মূল্য আমাদের কাছে সাত রাজার ধনের চেয়েও বেশি ছিল। সেই টাকা দিয়ে গ্রামের মেলা থেকে কেনা হতো মাটির বাঁশি, রঙিন লাট্টু কিংবা কাঠের ঘোড়া। সামান্য কিছুতেই আনন্দের প্লাবন বয়ে যেত। আজ শহরের শিশুরা দামী গেজেট হাতে পায়, কিন্তু তারা জানে না মাঠের ধুলোয় গড়াগড়ি খাওয়ার কী সুখ। তাদের আনন্দ যেন আজ নীল পর্দার স্ক্রিনে বন্দি। আজকের শিশুদের ঈদ নিরাপদ, কিন্তু বড্ড একা। তাদের খেলার সাথী বলতে স্মার্টফোনের অ্যালগরিদম। দাদীর কাছে রূপকথা শোনার বদলে তারা ইউটিউবে কার্টুন দেখে। উৎসব তাদের কাছে কেবল পোশাক পরিবর্তনের দিন, নিজেকে খুঁজে পাওয়ার নয়। তাদের শৈশব যেন বড় বেশি তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের হাতে আধুনিকতা তুলে দিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু কেড়ে নিচ্ছি এক চিলতে সবুজ শৈশব। মাঠ নেই, পুকুর নেই, এমনকি খোলা আকাশটাও বিল্ডিংয়ের ভিড়ে ঢাকা। তাদের জন্য আমার বড্ড মায়া হয়।

ঈদ যেন ছিলো সাম্য ও বিভেদের চিত্রকল্প। গ্রামের ঈদ ছিল সাম্যের এক মূর্ত প্রতীক। ধনী-দরিদ্রের দেওয়াল সেখানে অন্তত একদিনের জন্য ভেঙে যেত। সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ত, একই মেলায় ঘুরত। ঈদ সেখানে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি ছিল না, ছিল সমষ্টিগত অর্জন। গ্রামে কেউ একবেলা না খেয়ে থাকলে সারা পাড়া খবর পেত। আর শহরে পাশের ফ্ল্যাটের মানুষটি ঈদের দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকলেও আমরা জানিনা। শহরে ঈদের দিনও বিভেদ স্পষ্ট। কেউ শপিং মলে হাজার হাজার টাকা ওড়াচ্ছে, আর কেউবা রাস্তার ধারে একমুঠো চালের জন্য হাত বাড়িয়ে আছে। শহরের ঈদ অনেক সময় আভিজাত্য প্রদর্শনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, যা বড়ই বেদনাদায়ক। কার পাঞ্জাবি কত দামি, কার বাসায় কত পদের খাবার রান্না হলো—এই প্রতিযোগিতায় ঈদের মূল শিক্ষা ‘ত্যাগ’ আর ‘সহমর্মিতা’ ঢাকা পড়ে যায়। শহর আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে আলাদা হয়ে বাঁচতে হয়, আর গ্রাম শিখিয়েছিল কীভাবে সবাইকে নিয়ে বাঁচতে হয়।
গ্রামও আজ বদলে যাচ্ছে। অনেক উঠোন আজ কংক্রিটের নিচে চাপা পড়েছে। বহু পুরোনো বাড়িতে এখন উইপোকার রাজত্ব। মানুষ শহরমুখী হয়েছে, শিকড় ছেড়ে ডালপালায় আশ্রয় নিয়েছে। তবু ঈদ এলে মনটা কেমন হু হু করে ওঠে। নাড়ির টানে যখন হাজার হাজার মানুষ বাস আর ট্রেনের ছাদে কিংবা লঞ্চের ডেক-এ করে গ্রামে ছোটে, তখন বোঝা যায় মানুষ আসলে শহরকে ভালোবাসলেও গ্রামকে ভুলতে পারে না। এই যে ভিড়, এই যে কষ্ট করে বাড়ি ফেরা এর নামই তো নাড়ীর টান। যে টান আমাদের অস্তিত্বের গভীরে প্রোথিত।
রাতের নিস্তব্ধতা যখন চাদরের মতো শহরটাকে জড়িয়ে ধরে, যখন কৃত্রিম ল্যাম্পপোস্টের আলো ক্লান্ত হয়ে থমকে দাঁড়ায়, তখনই আমার বুকের ভেতর এক অদ্ভুত হাহাকার জেগে ওঠে। ইট-পাথরের এই খাঁচায় বসে আমি তখন আর নাগরিক থাকি না; মনটা উড়াল দেয় রূপগঞ্জের সেই নিঝুম পুকুরঘাটে। সেই যে ঘাটলাটা, যার শ্যাওলা ধরা প্রতিটি খাঁজে আমার শৈশবের কতশত লুকোচুরি আর কানামাছি খেলার গল্প লেগে আছে। আজও চোখ বুজলে শুনতে পাই ঝাউগাছের সেই সর সর শব্দ যেন কোনো এক মায়াবী বাঁশির সুর, যা কেবল হৃদয়ের কান পাতলেই শোনা যায়। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় ঝাউয়ের পাতাগুলো যখন একে অপরের গায়ে আছড়ে পড়ত, মনে হতো যেন তারা ফিসফিস করে আমাদের পূর্বপুরুষদের কোনো হারানো কাহিনির কথা বলছে। সেই শব্দ কেবল শব্দ ছিল না, ওটা ছিল মাটির নাড়ির টান।
আমরা যতই আধুনিকতার চাদর গায়ে জড়িয়ে নিই না কেন, যতই দামী পারফিউমে নিজেদের শরীরকে আড়াল করি, আমাদের ধমনীতে আজও বয়ে চলে সেই সোঁদা মাটির ঘ্রাণ। সেই ঘ্রাণ, যা বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা পড়লে ধরণী থেকে উত্তপ্ত দীর্ঘশ্বাসের মতো বেরিয়ে আসত। সেই আদিম ও অকৃত্রিম ঘ্রাণই আমাদের আসল পরিচয়, আমাদের শিকড়।
ঈদ আমাদের শেখায় আনন্দ একা ভোগ করার নাম নয়, তা সবার মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার নাম। শহরের ঈদ যদি আজ শুষ্ক লাগে, তবে তার কারণ আমাদের হৃদয়ের সংকীর্ণতা। আমরা হয়তো পুরোপুরি গ্রামে ফিরতে পারব না, কিন্তু গ্রামের সেই উদারতা আর মানবিকতা কি শহরের জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারি না? যেদিন ঈদ কেবল এক টুকরো ছুটি না হয়ে মানুষকে মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনবে, সেদিনই হবে প্রকৃত ঈদ।
সেদিন হয়তো আর আক্ষেপ করে বলতে হবে না গ্রামের ঈদ, শহরের নস্টালজিয়া। বরং গর্ব করে বলতে পারব ঈদ মানেই মানুষ, আর মানুষই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উৎসব। আমাদের জীবনটা তো একটা ছোট গল্পের মতো, যেখানে শেষ হয়েও যেন শেষ হয় না। তাই ইটের পাঁজরে বসেও আমি স্বপ্ন দেখি একদিন আবার সেই শৈশবের উঠোনে সবাই মিলে গোল হয়ে বসে ঈদের চাঁদ দেখব। যেদিন আকাশটা হবে আমাদের সবার, আর আনন্দ হবে অবারিত।।
লেখক: সাংবাদিক, সমাজ গবেষক, মহাসচিব-কলামিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ