নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ এপ্রিল ২০২৩, ১১:৪৭ এএম
দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন তিনি। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মো. সাহাবুদ্দিনকে শপথবাক্য পাঠ করান।
রাষ্ট্রপতি পদটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের (১) ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। সেই নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু হবে, তাও বলা হয়েছে সংবিধানে।
৪৮ অনুচ্ছেদের (২) ধারায় বলা হয়েছে, 'রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার ওপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।'
একই অনুচ্ছেদের পরবর্তী ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোনো পরামর্শ দান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কী পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোনো আদালত সেই সম্পর্কে কোনো প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।'
সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোনো দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে-কোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।'
সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ কর্তৃক কোনো বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। রাষ্ট্রপতির নিকট কোনো বিল পেশ করার পর পনেরো দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতিদান করবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তার কোনো বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোনো সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করে একটি বার্তাসহ রাষ্ট্রপতি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারবেন (রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানের পর রাষ্ট্রপতি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে)।
চ্যান্সেলর বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একটি পদমর্যাদা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২-এর ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই পদে অধিষ্ঠিত।
কারই/এমআর