Dhaka Mail Logo

জাতীয়

ডোপ টেস্টের নামে চালকদের হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ মার্চ ২০২২, ০৩:১৫ পিএম

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। গত ৩০ জানুয়ারি থেকে সকল চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। 

ডোপ টেস্টের নামে হাসপাতালগুলোতে চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাংলাদেশ অটোরিকশা-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। এই পরিস্থিতিতে ডোপ টেস্টের নামে চালকদের হয়রানি বন্ধ করতে ও সকল হাসপাতালে স্বল্পমূল্যে ডোপ টেস্ট চালু করার দাবি জানায় সংগঠনটি। 

রোববার (৬ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ডোপ টেস্টের নামে চালকদের হয়রানি বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন করে তারা এই দাবি জানায়।

অটোরিকশা-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন বলেন, সরকার চালকদের ডোপ টেস্ট করার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে চালকেরা ডোপ টেস্ট করাতে পারছে না। হাসপাতালে গিয়ে তারা নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 

হাসপাতালে এক টেস্ট করাতে চালকদের মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ডোপ টেস্ট ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন করা যাচ্ছে না। লাইসেন্স মেয়াদ শেষ হওয়ায় ও নবায়ন করতে না পারার কারণে সড়কে মামলা দিচ্ছে পুলিশ। এতে যেমন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে একই সঙ্গে চাকরিও হারাতে হচ্ছে অনেক চালকদের।

manabbondon

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য সরকার ঢাকা শহরের কয়েকটি হাসপাতালে এই সেবা চালু করেছে। যে কয়েকটি হাসপাতালে এই সেবা চালু করা হয়েছে সেখানে প্রতিদিন ১০-২০ জন চালকের ডোপ টেস্ট করা হয়। কিন্তু প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার চালকের ডোপ টেস্ট করার চাহিদা আছে। এই কারণে চালকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা শহরের হাসপাতালগুলোতে ডোপ টেস্ট এখনো পর্যন্ত চালু হয়নি। জেলা শহরের হাসপাতালগুলোতে ডোপ টেস্ট করার সক্ষমতাও নেই। 

হাসপাতালগুলোতে ডোপ টেস্ট করার সক্ষমতা না বাড়িয়ে ডোপ টেস্টের নামে শুধুমাত্র চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে। সকল হাসপাতালে আলাদাভাবে ডোপ টেস্ট চালু করা ও একইসঙ্গে এর খরচও কমানোর দাবি জানান তিনি। 

বাংলাদেশ অটোরিকশা-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন শ্রমিকদের মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন। এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

এএম/এএস