Dhaka Mail Logo

জাতীয়

৩৩ জেলায় ভোজ্যতেলের বাজারে অভিযান, ৯২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ ৩৩টি জেলায় পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের ৫১টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রিসহ বিভিন্ন অনিয়ম তদারকি করা হয়। পাশাপাশি নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রচলিত বিধিবিধান প্রতিপালনের বিষয়েও নজর দেওয়া হয়।

অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি, অযৌক্তিক মজুদ ও সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দোকানে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং পণ্যের সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে সতর্ক করা হয়।

এ ছাড়া ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। অভিযানে সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত রাখতেই এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য না কেনার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য (এমআরপি), উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় রসিদ সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাজারে ন্যায্যমূল্য, পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এমআর/এআর