বোরহান উদ্দিন
৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ এএম
জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের ব্যস্ততম ও কার্যকর রাষ্ট্রীয় সফর শেষ হয়েছে। সফরের শেষ দিনেও গতকাল ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সফরে ৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশের বেকার যুবসমাজের জন্য প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে। এতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের গতিশীলতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি বাণিজ্য, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি), অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর ও বৈদেশিক বিনিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা জোরদারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সূর্যোদয়ের দেশ জাপানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম সফরে সামগ্রিকভাবে দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে স্থিতিশীলতা ধরে রাখা ও কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাবে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সফরসঙ্গীরা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশের উদ্দেশে রওনা হন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফিরতি ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় ফ্লাইট ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ত্রুটি সারানোর পর রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে বিমানটি ছেড়ে যায়। রাত ৩টার দিকে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণের কথা রয়েছে।
টয়োটার কারখানা পরিদর্শন ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
সফরের শেষ দিন গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের নাগোয়া সিটিতে বিশ্বখ্যাত অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটার প্রধান কারখানা ও সংযোজন প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে তিনি কারখানাটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি গাড়ি সংযোজনের (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা, টয়োটা সুশো করপোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কার পরিদর্শন
জাপানের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার কারখানা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানাটিতে যান তিনি। এ সময় টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কার পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। কারখানায় পৌঁছানোর পর টয়োটার কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে গাড়িতে ওঠার আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে গাড়িটিতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৯৩৫ সালে তৈরি হয় টয়োটা পরিবারের প্রথম গাড়ির প্রোটোটাইপ টয়োটা মডেল এ১। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৩৬ সালে তৈরি হয় টয়োটা মডেল এএ, যা টয়োটার প্রথম উৎপাদিত যাত্রীবাহী গাড়ি। বর্তমানে জাপানের টয়োটা সংগ্রহশালায় গাড়িটির প্রতিরূপ সংরক্ষিত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।
কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে শীর্ষ বৈঠক
চার দিনের নিবিড় সফরসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিসহ দেশটির সরকারের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে ধারাবাহিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। পৃথক এসব বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুযোগ-সুবিধা এবং যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। সফরকালে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।
প্রবাসী ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
জাপানপ্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সময়োপযোগী ও বৈপ্লবিক বলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের চুক্তি ও আশ্বাস অর্জন এবং দুই লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

জাপানে চল্লিশ বছর ধরে বসবাস করছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিজিএমইএর উপদেষ্টা কাজী সারওয়ার হাবিব। তিনি ১৪ বার এনআরবি-সিআইপি সম্মাননা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বর্তমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে, জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানিকারক দেশ। দেশটি প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। তবে বাংলাদেশ বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করলেও জাপানের বাজারে এখন পর্যন্ত মাত্র ১.৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, এ বছর বিজিএমইএতে জাপান ডেস্ক চালু হয়েছে। ৫২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো জাপানি রাষ্ট্রদূত বিজিএমইএ পরিদর্শন করেছেন। জাপানের পক্ষ থেকে আগামীতে বাংলাদেশের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক কেনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
কাজী সারওয়ার হাবিব মনে করেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) আওতায় প্রায় ৭ হাজার ৩৯৮টি পণ্য বা রপ্তানি পণ্যের ৯৮ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বহুগুণ বেড়ে যাবে।
বিএনপির চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু মনে করেন, উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে জাপান সব সময়ই বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত বন্ধু। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরের মাধ্যমে যে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে, তার প্রকৃত সুফল পেতে হলে চুক্তি ও আশ্বাসগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ করার ওপরই এখন মূল সাফল্য নির্ভর করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন জাপানপ্রবাসী ও সফল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার হোসেইন মো. সারোয়ার সানি। তিনি জাপান রেমিট ফাইন্যান্স (জেআরএফ) গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার হলেও জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের সঠিক চিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে এখনো কিছু ঘাটতি রয়েছে।

তাঁর মতে, জাপানি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত মালয়েশিয়া বা ভিয়েতনামে বেশি বিনিয়োগ করেন, কারণ সেখানে তাদের প্রচার বা জনসংযোগ (পিআর) অনেক শক্তিশালী। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বা গ্যাসের কিছু সংকট থাকলেও যেকোনো সমস্যা সমাধান করা মানুষের কাজ। সুতরাং, জাপানিদের কাছে বাংলাদেশকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সেতু হিসেবে কাজ করতে পারেন, কারণ প্রবাসীদের সঙ্গে তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত আরও বেশি বিনিয়োগবিষয়ক সেমিনার আয়োজন করা, দূতাবাসগুলোকে আরও সক্রিয় করা এবং জাপানি প্রযুক্তি—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ও আধুনিক জ্ঞান—বাংলাদেশে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেদিকে নজর দেবেন।
জাপান বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তৈরি ও অর্থনৈতিক গতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর কার্যকর ভূমিকা রাখবে। টোকিও সফরে যেসব কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে হবে বলে তিনি মনে করেন।
সরকারি পর্যায়ে একটি চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক; বেসরকারি পর্যায়ে ১৭টি স্মারক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার হয়েছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করতে একটি টহলজাহাজ সরবরাহের জন্য ২১২ কোটি জাপানি ইয়েনের অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে প্রায় ১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ইয়েন ঋণ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে সুশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ১৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ইয়েন, অর্থাৎ প্রায় ১৯৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরা হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, বেসরকারি খাতেও দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারকসহ বিভিন্ন চুক্তি ও সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়। দেশের বিভিন্ন বিভাগে উড়াল এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এবং ছয়টি বিভাগে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
বিইউ/এআর