Dhaka Mail Logo

জাতীয়

ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ফিরছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

গ্রিড বিপর্যয়ের কারণে রাজধানীর পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। এতে সচিবালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহাল করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ জানিয়েছে, ঢাকার ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়। চট্টগ্রামের একাংশেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।

বিদ্যুৎ না থাকায় সচিবালয় ও আশপাশের এলাকা, মগবাজার, মধুবাগ, শান্তিনগর, মালিবাগ ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকেরা।

সচিবালয়ের পূর্ত মন্ত্রণালয়ে বিদ্যুৎ-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, ডিপিডিসি থেকে তাকে বলা হয়েছে, গ্রিড বিপর্যয়ের কারণে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছে।

তবে ঠিক কোন গ্রিডে এ বিপর্যয় ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। প্রাথমিকভাবে ধানমন্ডি-উলন গ্রিডে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারিগরি কারণ এখনও জানা যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সিস্টেম পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম ন্যাশনাল লোড ডেসপাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি ভিত্তিতে সংযোগ পুনর্বহালের কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

এমআর/এআরএম