নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আগামীকাল শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবের এ আয়োজনে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দুধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন করেন, শত্রুর বিনাশ করেন এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন এবং করবেন। এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রস্ফুটিত হয়।
তারেক রহমান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই তাঁদের অঙ্গীকার। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসবের আনন্দ উদ্যাপনের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তাঁদের আবারও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
এআর