Dhaka Mail Logo

জাতীয়

‘এয়ারবাস কেনায় বাংলাদেশ-ইইউ বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ এএম

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারবাস কেনার চুক্তি করায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

মাইকেল মিলার বলেন, ‘এয়ারবাস বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও অর্থের যথাযথ ব্যবহারের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিফলন। এটি বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে আরও শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্কের দিকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।’

আস্থা, সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির অভিন্ন লক্ষ্যকে ভিত্তি করে এই অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য সম্পর্কে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার যে লক্ষ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তা সমর্থন করে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে এভিয়েশন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

এছাড়া বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে ইইউর সমর্থনের কথা জানিয়ে তিনি বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে অনুসন্ধানমূলক আলোচনা শুরুর কথাও উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পেশাদারিত্ব ও সেবার মান বজায় রাখার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, ‘নতুন এয়ারবাস বিমানের বহরকে শক্তিশালী করবে। তবে শুধু উড়োজাহাজ দিয়ে একটি এয়ারলাইন্সকে দুর্দান্ত করা সম্ভব নয়, সেটি করতে হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরই।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিমানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কর্মীদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার ওপর। তাদের দেওয়া প্রতিটি সেবা, পরিচালিত প্রতিটি ফ্লাইট এবং নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।’

এএইচ