০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া আরও কয়েদির মৃত্যু হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই কয়েদির নাম এ কে খান শ্যামল (৫২)। বাবার নাম মো. শামসুদ্দিন এবং তার কয়েদি নং ৫৯৮৩/এ। তবে কী মামলায় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
কারারক্ষী সাইমন রহমান জানান, আজ বিকেলের দিকে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শ্যামল। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা কয়েকজন কারারক্ষী চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে কয়েদি শ্যামলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।
ময়নাতদন্তের পর কারা আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানিয়েছেন মো. ফারুক।
এর আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. জাকারিয়া মোল্লা (৬৩) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়। তিনি বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা মামলায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।
তার আগে রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা মিরাজ মিয়া নামে এক কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু হয়। তাকেও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
এমএমআর/এএইচ