নিজস্ব প্রতিবেদক
০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাংবাদিকরা। একইসঙ্গে এ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তি এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাবির শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নূর আহসান মৃদুল, দৈনিক সমকালের মাঈনুল ইসলাম রাজ, নিউজবাংলার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়-এর জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন সাংবাদিক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
সাংবাদিকরা ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। ছবি ও ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিব, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম ও সহ-দফতর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী এই হামলায় অংশ নেন।
আমরা সাবেক ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা এই ঘটনাকে শুধু কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা হিসেবে দেখছি না। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। এ ঘটনার দায় শুধু হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলও এর সাংগঠনিক দায় এড়াতে পারে না।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ তদন্ত ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগের স্বাধীন ও আইনগত তদন্তের বিকল্প হতে পারে না। হামলায় যাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিগত সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় সাংগঠনিক শাস্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহার করে নেতাকর্মীদের পুনর্বহালের নজির রয়েছে। তাই এ ঘটনায় লোকদেখানো সাময়িক শাস্তি আমরা গ্রহণযোগ্য মনে করি না।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অস্ত্রধারীদের নিয়ন্ত্রণ করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নিজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন।
আমাদের সুস্পষ্ট দাবি হচ্ছে, রাবিতে হামলার ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে; জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে; এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আমরা একইসঙ্গে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকার শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির দুই সদস্যের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করছি। এছাড়া হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সাংবাদিক সমিতির কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন-
১. মেহেরুল হাসান সুজন, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
২. আরাফাত রহমান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
৩. রবিউল আলম, সাবেক সভাপতি, জাবিসাস
৪. সাগর হোসেন, সাবেক সহসভাপতি, জাবিসাস
৫. হারুনুর রশিদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাবিসাস
৬. রায়হান আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাবিসাস
৭. নাজমুল হাসান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক, জাবিসাস
৮. একরামুল হক, জাবি
৯. শরিফুল ইসলাম শ্রাবণ, জবি
১০. আবু সাঈদ, সাবেক সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১১. ওয়াজিহাতুল ওয়াস্তি, সাবেক সভাপতি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব
১২. সাজ্জাদ হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
১৩. নুরুজ্জামান খান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
১৪. মেহেদী হাসান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
১৫. রিফাত মেহেদী, সাবেক সভাপতি, গবিসাস
১৬. মাহবুব এ রহমান, সাবেক সভাপতি, চবিসাস
১৭. মুহাম্মাদ আজহার, সাবেক সভাপতি, চবিসাস
১৮. রুমান হাবিব, সাবেক সহসভাপতি, চবিসাস
১৯. ইমাম ইমু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
২০. রোকনুজ্জামান রোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
২১. জায়েদ আলম, সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
২২. আহমেদ জুনাইদ, সাবেক সহসভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
২৩. শাহরিয়াজ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
২৪. মাহফুজ শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
২৫. সুমন ফাইজিদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
২৬. মাহমুদুল হাসান তানভীর, সাবেক সভাপতি, জবিসাস
২৭. মামুন শেখ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
২৮. মিরহাজুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জবিসাস
২৯. জয়নুল হক, সাবেক দপ্তর সম্পাদক, জবিসাস
৩০. হুমায়ুন কবির, সাবেক সভাপতি, জবিসাস
৩১. শাহাদাত হোসাইন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
৩২. আশরাফুল ইসলাম আকাশ, সাবেক সভাপতি, জবিসাস
৩৩. মাসুদ রানা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জবিসাস
৩৪. নাইমুর রহমান নাবিল, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, জবিসাস
৩৫. সোহাইল মিয়া, সাবেক সভাপতি, জবিসাস
৩৬. সোহাগ রাবি, সাবেক আহ্বায়ক, জবিসাস
৩৭. মাহবুব মমতাজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
৩৮. লতিফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
৩৯. সোলাইমান সালমান, সাবেক সভাপতি, জবিসাস
৪০. যুবাইর আহমেদ সাবিম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
৪১. সাইফুল মাসুম, সাবেক সভাপতি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম
৪২. হাসান আল মাহমুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাবিসাস
৪৩. মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ, সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৪৪. কেফায়েত শাকিল, সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি
৪৫. সোহেল আহমেদ, সাবেক সভাপতি, এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৪৬. আব্দুল হাকিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি
৪৭. এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস
৪৮. মাহমুদুল হাসান, সাবেক সভাপতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি
৪৯. আব্দুল্লাহ নোমান আব্বাস, সাবেক চবি প্রতিনিধি, দ্য ডেইলি স্টার
৫০. জাহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৫১. আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, সাবেক সভাপতি, জাবিসাস
৫২. মেহেদী হাসান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাবিসাস
৫৩. জাফর আহমেদ শিমুল, সাবেক সভাপতি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি
৫৪. শামস জেবিন, সাবেক সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৫৫. মাহমুদুল হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি
৫৬. সালমান শাকিল, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব
৫৭. জোবায়ের চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
৫৮. আব্দুল মান্নান, সাবেক সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি
৫৯. নাজিম হোসেন শান্ত, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব
৬০. মুনাওয়ার রিয়াজ মুন্না, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
৬১. শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস
৬২. গোলাম মতুর্জা সেলিম, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, সিকৃবিসাস
৬৩. অনিক আহমেদ, সাবেক সভাপতি, গণবিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৬৪. নাজমুস সাকিব সাদিক, সাবেক সভাপতি, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি
৬৫. মোফাজ্জল বিদ্যুৎ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৬৬. আবু সাঈদ রনি, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৬৭. মেহেদী হাসান, সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৬৮. আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৬৯. সরকার মাসুম, সাবেক সভাপতি, ইবি প্রেসক্লাব
৭০. তারিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইবি প্রেসক্লাব
৭১. ইমন মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, জাবি প্রেসক্লাব
৭২. মিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি
৭৩. বাবর মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৭৪. আব্দুল্লাহ রাকীব, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
৭৫. তানভীর ইবনে মোবারক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাবি প্রেসক্লাব
৭৬. সাইফুল্লাহ সাইফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাবিসাস
৭৭. সুজন আলী, সাবেক সভাপতি, রাবিসাস
৭৮. ইকবাল হোসাইন রুদ্র, সাবেক সভাপতি, ইবি প্রেসক্লাব
৭৯. মতিউর রহমান, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস
৮০. রাসেল মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস
৮১. আবুবকর রায়হান, সাবেক সহসভাপতি, কুবিসাস
৮২. জয়নাল উদ্দীন, সাবেক অর্থ সম্পাদক, কুবিসাস
৮৩. আকরাম হোসেন, সাবেক সভাপতি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম
৮৪. রকিব ওহাব, সাবেক সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৮৫. মীম ওবায়দুল্লাহ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৮৬. আশিক ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
৮৭. ইমরান খান, সাবেক সভাপতি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৮৮. শাহাদত হোসেন, সাবেক সভাপতি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৮৯. তানভীর হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি
৯০. আব্দুল হাকিম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি
৯১. ওবায়দুর রহমান, সাবেক সভাপতি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৯২. মোসায়েদ্দেকুর রহমান, সাবেক সভাপতি, জাবি প্রেসক্লাব
৯৩. মিজান উদ্দীন ভূঁইয়া, সাবেক সহসভাপতি, কুবিসাস
৯৪. সোহাগ ফেরদৌস, সাবেক সভাপতি, ইবি প্রেসক্লাব
৯৫. আব্দুল কাদির রায়হান, সাবেক সভাপতি, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি
৯৬. আবুল বাশার মিরাজ, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
৯৭. নবাব আব্দুর রহিম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
৯৮. শিহাবুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
৯৯. ইমতাজিম পলাশ, সাবেক সহসভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০০. আলী রমজান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০১. আলী হোসাইন মিঠু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০২. লাবুহক, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০৩. মারুফ হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০৪. শহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১০৫. আহমেদ ইউসুফ আকাশ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুবিসাস
১০৬. জুবায়ের রহমান, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস
১০৭. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
১০৮. মুমিন মাসুদ, সাবেক সহসভাপতি, চবিসাস
১০৯. রিদ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১১০. রায়হান উদ্দীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস
১১১. মো. ফাইজিদ হোসাইন, সাবেক সভাপতি, চবিসাস
১১২. মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক সভাপতি, জাবিসাস
১১৩. ওয়াসি রিয়াদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১১৪. শাহীনুর ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি
১১৫. রায়হানুল ইসলাম সৈকত, সাবেক সহসভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
১১৬. নাজমুল হুদা, সাবেক সভাপতি, শাবিপ্রবি প্রেসক্লাব
১১৭. রাব্বী হাসান সবুজ, সাবেক সহসভাপতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
১১৮. রবিউল হক রবি, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস
এএইচ/এএইচ