Dhaka Mail Logo

জাতীয়

সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করল ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ পিএম

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দখলে থাকা ফুটপাত উদ্ধার করে সংস্কারের পর পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ফুটপাতটিতে বসানো হয়েছে নতুন ডাস্টবিন ও পথচারীদের বসার বেঞ্চ। সংস্কার করা হয়েছে সীমানাপ্রাচীর। পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি দিয়ে সাজানো হয়েছে এলাকাটি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে সেগুনবাগিচায় সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন করা ফুটপাতের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে ফুটপাত এলাকায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার নিষিদ্ধ স্থানে বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা কাউকে উচ্ছেদ করতে চাই না, কিংবা গরিব হকারদের পুঁজির ক্ষতি হোক, সেটাও আমাদের কাম্য নয়। এজন্যই তাদের বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

12

আবদুস সালাম জানান, পীর ইয়ামেনী মাজার এলাকায় শুক্র ও শনিবার হকারদের জন্য ‘হলিডে মার্কেট’ চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে আইডিয়াল স্কুলের বিপরীত পাশের সড়কের ফুটপাতে তাদের বসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে মূল সড়ক বন্ধ করে কিংবা অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না।

সেগুনবাগিচার ফুটপাতের বিষয়ে তিনি বলেন, যে জায়গা দিয়ে আগে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারতেন না, সেটি দখলমুক্ত করা হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমিসংলগ্ন এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ডিএসসিসি। করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত এলাকাটি পরিষ্কার রাখবেন। তবে এর সৌন্দর্য ও পরিবেশ ধরে রাখতে শিল্পকলা একাডেমি এবং সাধারণ নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকাকে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন’ রাখা শুধু সরকারের একার নয়, আমাদের সকল ঢাকাবাসীর নাগরিক দায়িত্ব।

এমএইচ/এএস