জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া ২১৬ পিস অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকু বিভিন্ন অপরাধীদের কাছে অনলাইনে বিক্রি করা হতো। এসব চাকু ছিনতাই, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহার হতো বলে জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-২)।
এ ঘটনায় এস এম রবীন নামে একজনকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
তিনি জানান, শনিবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন লাবনী পয়েন্ট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালায় এসআরবি-২। সেখানে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকু মজুত করে রাখা হয়েছে বলে তথ্য পায় তারা।
পরে ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ঈগল মডেলের ১৮০টি, চিতা মডেলের ২০টি, মাছরাঙা মডেলের ১২টি এবং কমবোর্ড মডেলের চারটিসহ মোট ২১৬টি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। এ সময় এসব চাকুর মজুতদার ও সরবরাহকারী এস এম রবীনকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া চাকুগুলো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করা হতো। অনলাইনের মাধ্যমে এসব চাকু বিক্রি করা হতো।
তিনি আরও জানান, ছিনতাই, হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনে এসব ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
দেশে প্রচলিত আইনে এ ধরনের ধারালো অস্ত্রের ক্রয়-বিক্রয়, বহন, মজুত ও ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও জানান তিনি।
এমআইকে/এএইচ