২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে দগ্ধ পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া (১১) নামে একজন মারা গেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় দগ্ধ আরও চার শিশু শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে জিদনী ও লামিয়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে ভর্তি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ পাঁচ শিশুকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জিদনীর শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ, আতিয়ার ৪৫ শতাংশ, সুমাইয়ার ১৩ শতাংশ এবং আসিয়ার ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
দগ্ধদের মধ্যে জিদনী ও লামিয়া বর্তমানে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। অন্যদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মাদরাসাটির ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদরাসার ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা দগ্ধ হয়।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো- ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী (১৪), চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা (১৩), সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার (১৩), তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা (১২) এবং চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া (১১)।
ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এমএমআর/এএইচ