নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে গভীর রাতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জনপ্রিয় ইউটিবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও অফিসে গুলি বর্ষণ ও লুটপাত করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনাটি জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থেকে হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো.মাহিদুল ইসলাম।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া বারোটায় নিউগিনি প্রপার্টিসে ভাংচুরের ঘটনায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক সংবাদ সন্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।
আটককৃতরা হলো- মামুন,আসলাম ও মুন্না।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিনজনের মধ্যে মামুন, এর বাড়ি গফরগাঁও। সে ভাসানটেক বস্তিতে থাকে। আটককৃত আসলাম এর বাড়ি টাঙ্গাইল। সে অটো চালায়। এছাড়াও, আটককৃত মুন্না ভাসানটেক বস্তিতে বসবাস করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে, আটককৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অতূীতে এমন ঘটনা বা মামলার বিষয়ে জানাতে পারেনি পুলিশ।
মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, গতকাল রাতের ঘটনায় কিছু লোক দলবদ্ধভাবে এসে এখানে ভাঙচুর করেছে। এই ভাঙচুরের ঘটনায় ইমিডিয়েটলি আমাদের পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইনচার্জ, ইন্সপেক্টর তদন্ত, ইন্সপেক্টর অপারেশন এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তারা ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে।
রাতেই অপারেশন চালিয়ে আরও একজনকে আটক করে। এ নিয়ে মোট তিনজনকে আমরা ইতিমধ্যে আটক করেছি। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ চলমান রয়েছে। আমাদের আরও টিম কাজ করছে। আমরা আশা করি এই ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনতে পারব।
তিনি বলেন, ইসিবি চত্ত্বরে এই ঘটনাটায় আমাদের পুরো টিম নিয়ে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। বিষয়টা আমরা তদন্ত করেছি। আমরা প্রতিটি ঘটনা ঘটলেই ইমিডিয়েটলি সেটা শনাক্ত করেছি।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে যে, এটা একটা হাউজিং বিজনেস এবং এখানে এতগুলো লোক একসাথে দলবদ্ধভাবে রাতের বেলা এসেছে। হয়তো জমিকে কেন্দ্র করে, জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে। এটি যেহেতু তদন্তের বিষয় আছে এবং বিষয়টি আইনগতভাবে প্রক্রিয়াধীন। তবে, কার সঙ্গে বিবাদ সে বিষয়টি এখনই বলতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি আমাদের কাছে এই মুহূর্তে নেই। আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, এটা জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে হয়তো হতে পারে। আমরা পুরোপুরি তদন্ত করলে বিষয়টা জানতে পারবো।
একেএস/এআরএম