২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ এএম
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক নেতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় চলছে।
এ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেছেন এম এইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ডাক্তার মোস্তফা-হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন এ. কে. এম. গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি)।
দিনব্যাপী চলা বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনায় বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে মানবতার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।
বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির ফলে বিশ্বব্যবস্থায় যে নতুন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন চিন্তা, কার্যকর কৌশল ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
ক্যাপ্টেন কিবরিয়া বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষের জীবনকে বদলে দিলেও শুধু প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নই যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তির শক্তিকে মানবিক মূল্যবোধ, প্রজ্ঞা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতের পৃথিবী গড়ে তুলতে শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও সমঅধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানবিক উন্নয়ন ভাবনা ও বৈশ্বিক মানবিক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ হয়েছে বলে জানান ক্যাপ্টেন কিবরিয়া।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ব এখন দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানবতার প্রতি দায়িত্বও বাড়ছে। তাই প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে একটি আরও সমতাভিত্তিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের উদ্যোগ প্রয়োজন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে দিনের বিভিন্ন বৈঠক ও কর্মসূচির কিছু মুহূর্ত ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছেন ক্যাপ্টেন কিবরিয়া। আগামী দিনগুলোতে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত আরও কিছু আলোচনা, বৈঠক ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন কিবরিয়া।