Dhaka Mail Logo

জাতীয়

৩ দিনব্যাপী ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার’ শুরু ১৬ সেপ্টেম্বর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

রাজধানীতে আগামী বুধবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ১৩তম ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬’ বা এশীয় পর্যটন মেলা-২০২৬। মেলায় ১০টি দেশের ২০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে পর্যটন গন্তব্য, পণ্য, সেবা ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা জানিয়েছেন যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, মেলায় তিনটি প্রদর্শনী হলে প্রায় ৩০০টি স্টলে হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি, বিমান সংস্থা, সরকারি ও বেসরকারি পর্যটন প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি দূতাবাস ও মিশনের তথ্য তুলে ধরা হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহায়তা ও অংশগ্রহণে আয়োজিত এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এবং ১৯ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে।

মেলার প্রধান আকর্ষণের মধ্যে থাকবে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী, আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রদর্শনী এবং বাংলাদেশের পর্যটন বিনিয়োগ প্রদর্শনী।

এ ছাড়া ব্যবসায়ী পর্যায়ে পারস্পরিক মতবিনিময়, সেমিনার, পর্যটন গন্তব্য উপস্থাপন, প্যানেল আলোচনা, পণ্য প্রচার ও যোগাযোগ স্থাপনের বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং দেশে-বিদেশে দেশের পর্যটন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরতে এ ধরনের মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬’ দেশ ও বিদেশে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ তুলে ধরতে সহায়তা করবে।

সামীমুজ্জামান বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬’ দেশ ও বিদেশে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরতে সহায়তা করবে।

মেলার চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় আঞ্চলিক পর্যটন সম্ভাবনাকে মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাওর, সুন্দরবন ও নদীকেন্দ্রিক পর্যটন, পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার, স্থানীয় জনগোষ্ঠীভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীরাও একই সঙ্গে তাদের নিজ নিজ পর্যটন গন্তব্য ও পণ্য তুলে ধরবেন। এ ছাড়া নারী উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীভিত্তিক পর্যটন উদ্যোগের ওপরও মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা ছাড়াও মেলার অংশীদার, পৃষ্ঠপোষক ও বিভিন্ন পর্যটন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআইকে/এফএ