Dhaka Mail Logo

জাতীয়

ফেনীর ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেম-পুরোহিতদের সম্মানি দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫২ পিএম

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ২৭০ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং ১০ জন পুরোহিতকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সম্মানি দেবেন বলেন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। 

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক গঠিত সেল এর ৮ম সভা সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপদেষ্টা এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানি প্রদানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম বছরে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন সুবিধাভোগীকে এ ভাতা প্রদান করে আগামী চার বছরে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আওতায় আসবে। মসজিদের  ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্মানি প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়ম ছাড়াই যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য সম্মানি পান।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্মানি ভাতা পৌঁছে দিতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদফতরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিসটেম সফটওয়্যার ব্যবহার করে জি-টু-পি পদ্ধতিতে সম্মানি ভাতা প্রদান করা হবে। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও ইনপুটের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী মাসের প্রথমার্ধে সম্মানিভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্মানি ভাতা পৌছে দেওয়া হবে। 

সভায় ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার; প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক এবং স্থানীয় সরকার , পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বিইউ/এএইচ