জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার। এ লক্ষ্যে জাপানের সঙ্গে দেশের বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা সিনিচি।
সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার। সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল-৩-এর উদ্বোধন যথাসময়ে করতে বদ্ধপরিকর। তাই যত দ্রুত সম্ভব অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার কার্যক্রম শুরু করা জরুরি। ইতোমধ্যে জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের জমা দেওয়া প্রস্তাবের টেকনো-ফিন্যান্সিয়াল মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। নেগোশিয়েশন আগামী সপ্তাহে শুরু হবে। তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য লেটার অব অ্যাশিওরেন্স নিয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলমান। আশা করি, দ্রুত আমরা সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হব।
মন্ত্রী জানান, দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে, যেগুলোর উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। তা ছাড়া বৌদ্ধ পর্যটনের উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করতে চায় সরকার।
জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করছে সরকার। এ সময় মন্ত্রী হেরিটেজ ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন।
রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এমআইকে/এআর