মাহফুজুর রহমান
২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
রাত তখন সাড়ে আটটা। কুর্মিটোলার বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের ওপর জ্বলছিল একটি পরিচিত নাম, জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। কয়েক দশক ধরে ঢাকায় আসা-যাওয়া করা মানুষের চোখে নামটি ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ২০১০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারির সেই রাতে পুরোনো সাইনবোর্ড থেকে খুলে নেওয়া হলো শুধু একটি শব্দ—জিয়া। পরদিন সকালে সেখানে উঠল নতুন নাম, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
একটি নামফলক নামতে এবং আরেকটি নামফলক উঠতে খুব বেশি সময় লাগেনি। কিন্তু সেই কয়েক ঘণ্টার দৃশ্যের পেছনে ছিল প্রায় তিন দশকের রাজনৈতিক ইতিহাস। কারণ, এই বিমানবন্দর প্রথম থেকেই জিয়া নামে পরিচিত ছিল না। এর নাম ছিল ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ১৯৮৩ সালে সেটি হয় জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। আর ২০১০ সালে সেই নাম মুছে গিয়ে জায়গা নেয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

একটি বিমানবন্দরের নামের মধ্য দিয়ে যেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পরিচয়ের তিনটি ভিন্ন সময় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে।
তেজগাঁও থেকে কুর্মিটোলা: ঘটনার শুরু আরও আগে
আজকের বিমানবন্দরের ইতিহাস শুরু হয় কুর্মিটোলার টার্মিনাল ভবন দিয়ে নয়। এর শিকড় ছড়িয়ে আছে পুরোনো তেজগাঁও বিমানবন্দরে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় বিমানঘাঁটি তৈরির কাজ শুরু হয়। সরকারি বিমানবন্দর ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৪১ সালে দাইনোদ্দা এলাকায় তেজগাঁও বিমানবন্দরের নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৪৩ সালের শুরুতে সেখানে প্রথম রয়্যাল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের হালকা যুদ্ধবিমান অবতরণ করে। পরবর্তী সময়ে তেজগাঁও ঢাকার প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দরে পরিণত হয়।
পাকিস্তান আমলে বিমান চলাচল বাড়তে থাকে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স বা পিআইএ সেখানে বিভিন্ন ধরনের বিমান পরিচালনা করত। ধীরে ধীরে বড় আকারের বিমান ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চাপ বাড়তে থাকায় তেজগাঁওয়ের অবকাঠামো আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রয়োজন মেটাতে অপ্রতুল হয়ে পড়ে। তখনই কুর্মিটোলায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কুর্মিটোলায় নতুন বিমানবন্দর
কুর্মিটোলায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণে ফরাসি বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৮০ সালে তেজগাঁও থেকে কুর্মিটোলায় বিমান চলাচলের কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়।

বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, কুর্মিটোলার নতুন বিমানবন্দরটি ১৯৮১ সালে চালু হয়। অন্যদিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ইতিহাসে ১৯৮০ সালকে কার্যক্রম স্থানান্তর ও চালুর বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন বিমানবন্দরটির প্রাথমিক পরিচয় ছিল একেবারেই সরল—ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তখন কোনো রাজনৈতিক নেতার নাম এর সঙ্গে যুক্ত ছিল না।
কীভাবে জিয়া নামটি এলো
বিমানবন্দরটির সরকারি ইতিহাসে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৯৮৩ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়।
সমসাময়িক সংবাদসূত্র অনুযায়ী, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সরকার বিমানবন্দরটির নাম সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নামে রাখে। এখানে সময়ের প্রেক্ষাপটটি গুরুত্বপূর্ণ।
জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় উত্তরাধিকারকে বিভিন্নভাবে স্মরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুই বছর পর সেই ধারার অংশ হিসেবেই ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত হয়। ফলে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হয় জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
শুধু নাম নয়, একটি রাজনৈতিক পরিচয়
১৯৮৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৭ বছর বিমানবন্দরটি জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে পরিচিত ছিল।
এই দীর্ঘ সময়ে নামটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে এতটাই পরিচিত হয়ে যায় যে, বিমানবন্দরের পূর্ণ নাম উচ্চারণের প্রয়োজনও অনেক সময় হতো না। মানুষ বলত, জিয়া বিমানবন্দর।

দেশের বাইরে থেকেও ঢাকায় আসা যাত্রীদের টিকিট, সংবাদ প্রতিবেদন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নামটি ব্যবহৃত হতে থাকে। তবে নামটির রাজনৈতিক অর্থও ছিল।
জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন সামরিক কর্মকর্তা ও সেক্টর কমান্ডার। পরবর্তী সময়ে তিনি রাষ্ট্রপতি হন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে তাঁর নাম একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ছিল তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে রাষ্ট্রীয় পরিসরে দৃশ্যমান করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
আর এ কারণেই পরবর্তীতে নামটি পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হয়নি।
তারপর বদলে গেল রাজনৈতিক ক্ষমতা
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের নাম পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
২০০৯ সালের ডিসেম্বরেই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি প্রকাশ্যে আপত্তি জানায়। অর্থাৎ ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসার আগেই বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছিল। এরপর আসে সেই সিদ্ধান্তের দিন।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০: জিয়া নামটি সরানোর সিদ্ধান্ত
২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন নাম নির্ধারণ করা হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
সিদ্ধান্তটি সেদিন থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান ইতিহাসেও ২০১০ সালকে নাম পরিবর্তনের বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন শাহজালালের নাম?
কেন হযরত শাহজালালের নামে
নতুন নামটি দেওয়া হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহজালালের নামে। বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে শাহজালালের নাম বিশেষভাবে সিলেটের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর নামের সঙ্গে বাংলায় ইসলামের বিস্তার এবং সুফি ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে আছে।
বিমানবন্দরের সরকারি ওয়েবসাইটও বলছে, বিমানবন্দরটি শাহজালালের সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে। তবে ২০১০ সালের সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আগের বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে পরিবর্তিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভা তখন ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের নাম পুনর্বিবেচনা বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছিল। বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন ছিল বৃহত্তর একটি নাম-রাজনীতির অংশ।
জিয়া নামফলক নামল যে রাতে
এরপর আসে সেই দৃশ্য, সেই রাত। সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ২০১০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের ওপর থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লেখা পুরোনো নামফলক খুলে ফেলার কাজ শুরু হয়।
রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে নামফলক থেকে জিয়া শব্দটি খুলে নেওয়া হয়। পরদিন সকালে নতুন নামফলক বসানো হয়।
নতুন ফলকে লেখা হয় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ইংরেজি ও আরবি নামফলকও পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হয়। এ যেন তিন দশকের একটি রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের দৃশ্যমান অবসান।
কেন এত রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
নাম পরিবর্তনের পর বিএনপি তীব্র প্রতিবাদ জানায়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, জিয়াউর রহমানের নামে প্রায় তিন দশক ধরে পরিচিত বিমানবন্দরের নাম বদল করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। বিএনপি এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে এবং সংসদেও প্রতিবাদ জানায়।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে নাম পরিবর্তনকে আগের সরকারের সময়ে করা নাম পরিবর্তনের পুনর্বিন্যাস এবং ঐতিহাসিক নাম ফিরিয়ে আনার বৃহত্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
নামের রাজনীতি: শুধু এই বিমানবন্দর নয়
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বহু রাস্তা, ভবন, প্রতিষ্ঠান, হল, উদ্যান ও স্থাপনার নাম রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে বদলেছে। কোনো সময় কোনো জাতীয় নেতা বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামে নামকরণ হয়েছে। পরে সরকার পরিবর্তনের পর সেই নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। আবার কোনো পুরোনো নাম ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ঢাকার এই বিমানবন্দরও সেই ধারার একটি বড় উদাহরণ।

এখানে নামের তিনটি পর্যায় যেন তিনটি রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ধারণ করে। ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক পরিচয়। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে রাষ্ট্রীয় স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করার সময়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নাম পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত।
একটি বিষয় অবশ্য আলাদা করে দেখা দরকার। নাম বদলালেও বিমানবন্দরটির মূল ভৌত অবস্থান বদলায়নি। কুর্মিটোলার একই স্থানে বিমান ওঠানামা করেছে, যাত্রী এসেছে-গেছে, টার্মিনাল সম্প্রসারিত হয়েছে।
আজ এটি বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এটি কুর্মিটোলায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে।
এর আন্তর্জাতিক আইএটিএ কোড DAC, যা Dacca—ঢাকার পুরোনো ইংরেজি বানান থেকে এসেছে। অর্থাৎ নাম বদলালেও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের কোডে পুরোনো ঢাকার একটি চিহ্ন এখনো রয়ে গেছে।
একটি বিমানবন্দরের নাম, বাংলাদেশের রাজনীতির আয়না
এটি এমন এক ইতিহাস, যেখানে একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্মৃতি কীভাবে ক্ষমতার সঙ্গে বদলায়, তার স্পষ্ট উদাহরণ পাওয়া যায়।
একসময় ছিল ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—শহরের নামে একটি নিরপেক্ষ পরিচয়। তারপর এলো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—একজন রাষ্ট্রপতি ও রাজনৈতিক নেতার নাম, যার সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

তারপর ২০১০ সালে সেই নাম সরে গিয়ে এলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—বাংলার সুফি ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের নাম।
আর তাই কুর্মিটোলার টার্মিনাল ভবনের ওপর আজ যে নামটি দেখা যায়, সেটি শুধু একটি বিমানবন্দরের ঠিকানা নয়। এর পেছনে রয়েছে তেজগাঁও থেকে কুর্মিটোলা, ঢাকা আন্তর্জাতিক থেকে জিয়া, আর জিয়া থেকে শাহজালাল হয়ে ওঠার কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক পথচলা।
সবচেয়ে প্রতীকী দৃশ্যটি হয়তো সেই ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারির রাতেই, যখন কয়েকজন কর্মী মই বেয়ে উঠে পুরোনো নামফলক থেকে শুধু একটি শব্দ খুলে নিচ্ছিলেন।
জিয়া। একটি শব্দ নেমে গিয়েছিল টার্মিনাল ভবনের দেয়াল থেকে। কিন্তু সেই শব্দকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বিতর্ক, স্মৃতি ও আবেগ তৈরি হয়েছিল, তা নামফলক বদলের সঙ্গে শেষ হয়নি।
এম/এআর