Dhaka Mail Logo

জাতীয়

চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেছে এ নিয়ে কাজ করা কমিটি। একই সঙ্গে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতার বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া গেছে। ওই সংঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে জে-১০ ব্যবহারের তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত বলেও দাবি করেন তিনি।

তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, জে-১০ একটি মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। অন্যদিকে রাফালকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাফালের বিরুদ্ধে জে-১০ ভালো পারফর্ম করায় বাংলাদেশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ বিষয়ে সরকার ভালোভাবেই এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

image

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ২০২৪ সালের ঘটনাকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে দেখার বিষয়ে সরকারের অবস্থানও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করে না। তবে ৫ আগস্টের পর দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে নিজস্ব স্বার্থে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করে সরকার।

তাঁর ভাষ্য, ৫ আগস্টের আগে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো আলোচনা করা সম্ভব হতো না। এই অর্থে ২০২৪ সালের ঘটনাকে সরকার স্বাধীনভাবে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

এআর