Dhaka Mail Logo

জাতীয়

উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়াতে ঢাকায় এফএইচের সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:২২ পিএম

বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকায় সভা করেছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ফুড ফর দ্য হাংরি (এফএইচ) অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা সংস্থাটির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সরকারি কর্মকর্তা, দাতা সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় টেকসই ও জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর পরিবর্তন আনা, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রভাব বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মাদ জকরিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনজিও ব্যুরোর যুগ্মসচিব ড. কে এম মামুন উজ্জামান। এ ছাড়া এফএইচের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক রোমেল ফুয়ের্তে ও বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর বুলি হাগিদকসহ দাতা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন পরিস্থিতি ও চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই পরিবর্তন আনতে কার্যকর কৌশল, উন্নয়ন সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও মতামত দেন অংশগ্রহণকারীরা।

সভায় এফএইচ অ্যাসোসিয়েশনের চলমান কার্যক্রম, অর্জন, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় অংশীদার, দাতা সংস্থা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

দাতা ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা এফএইচ অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁদের মতামত ও পরামর্শ দেন। ভবিষ্যতেও উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

এফএইচ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এ ধরনের অংশীদারত্বমূলক প্ল্যাটফর্ম উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর পাশাপাশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতেও এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

এমআর